গোবিন্দ রায়: সার্কাস হবে পার্ক সার্কাস ময়দানেই! বন্ধের আর্জি নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় সার্কাস বন্ধের নির্দেশ দিল না হাই কোর্ট। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ তিন সপ্তাহের মধ্যে সার্কাস বন্ধ করার স্বপক্ষে হলফনামা জমা দিতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি হাই কোর্টের শীতকালীন ছুটির পর।
২০১৪ সালে শেষবার সাকার্স বসেছিল পার্ক সার্কাস ময়দানে। বিভিন্ন কারণে এখানে বন্ধ ছিল সার্কাস। মূলত পরিবেশ দূষণের বিষয়টিকে মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরে পুরসভার থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে সার্কাস শুরু হয়। এরপরই তা বন্ধ করতে হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়। যুক্তি ছিল পরিবেশ দূষণ হবে। তাছাড়াও এই ময়দানে যাঁরা হাটতে যান, তাঁরা অসুবিধার মুখে পড়বেন।
আজ, বুধবার মামলাটি ওঠে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় বলেন, “পরিবেশ এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর আগে একই জায়গায় বইমেলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।” ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, আমরা এখনই সার্কাস বন্ধ করার পক্ষপাতী নই। তবে পরিবেশের যাতে ক্ষতি না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে পুরসভাকে। বিচারপতিদের আরও বক্তব্য, পার্ক সার্কাস ময়দানের অন্য অংশে সকালে যাঁরা হাঁটতে যান, তাঁদের জন্য ফাঁকা জায়গা রাখতে হবে। তাঁদেরও যেন কোনও অসুবিধা না হয়। পাশাপাশি, সার্কাস বন্ধ করার স্বপক্ষে বক্তব্য তিন সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে। এছাড়াও মামলাকারীদের বক্তব্যের বিরুদ্ধে পুরসভার কোনও বক্তব্য থাকলে সেটাও আদালতকে জানানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালত সার্কাস বন্ধের কোনও নির্দেশ না দেওয়ায়, তা এখন চলবে!
