সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দি টুকরো দেহ উদ্ধার! পচন ধরেছে মৃতদেহেও। প্রায় ২০ দিন নিখোঁজ থাকার পর তার মৃতদেহ উদ্ধার হল। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাট এলাকায়। ঘটনায় গ্রেপ্তার স্কুলের শিক্ষক মনোজকুমার পাল। ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাড়ি রামপুরহাট ১নং ব্লকের বোন হাট গ্রাম পঞ্চায়েতের বারোমেসিয়া গ্রামে। অভিযোগ, গত ২৮ আগস্ট থেকে সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রী নিখোঁজ ছিল। জানা গিয়েছে, ওই বছর ১৩-এর ওই ছাত্রী প্রাইভেট টিউশন পড়তে গিয়েছিল। তারপর থেকে আর তার কোনও খোঁজ মেলেনি। রামপুরহাট থানায় ছাত্রীর পরিবারের তরফে নিখোঁজের অভিযোগও করা হয়েছিল।
আজ, বুধবার সকালে রামপুরহাট থানার বনহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের কুল্লাকাটা গ্রামের জঙ্গল থেকে ওই বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। রামপুরহাট থানার পুলিশ ওই মৃতদেহ উদ্ধার করে। বেশ কয়েক দিন আগেই ওই মৃত্যু হয়েছিল। ফলে দেহে ইতিমধ্যেই পচন ধরেছে। ওই ছাত্রীকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক মত পুলিশের। বস্তার মধ্যে মৃতদেহ একাধিক টুকরো আকারে ছিল। খুনের পর কি দেহ টুকরো করা হয়েছিল? নাকি পচে গিয়ে দেহের বিভিন্ন অংশ আলাদা হয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার পরই রামপুরহাট শ্যামপাহারি শ্রী রামকৃষ্ণ বিদ্যাপীঠের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক মনোজকুমার পালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মৃতার পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে বিরক্ত করছিলেন। তার উপর ওই শিক্ষকের ‘কুনজর’ ছিল বলে অভিযোগ। ওই শিক্ষকই কি ছাত্রীকে খুন করে দেহ জঙ্গলে ফেলেছিল? পুলিশ ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। দেহ উদ্ধারের পর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা।
