মহাকাশের ‘লাল লণ্ঠন’ আমাদের প্রতিবেশী গ্রহ মঙ্গলগ্রহ। সেও নাকি একদিন আমাদের এই নীল রঙের গ্রহের মতোই নীল ছিল! সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে তেমনই দিক। উচ্চ রেজোলিউশনের ছবির উপরে ভিত্তি করেই এমনটাই নাকি বলা হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, ৩০০ কোটি বছর আগে মঙ্গলের উত্তর গোলার্ধের প্রায় অর্ধেক অংশ জুড়ে ছিল বিরাট মহাসাগর! যা আকারে আমাদের পৃথিবীর আর্কটিক মহাসাগর বা সুমেরু মহাসাগরের মতোই ছিল।
আরও পড়ুন:
বার্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং INAF-এর বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলে উপকূলরেখা এবং পলি জমার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। দেখা গিয়েছে বদ্বীপের চিহ্নও। যা থেকে পরিষ্কার, একসময় এই গ্রহ ছিল নীল গ্রহ। এবং সম্ভবত সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। অন্তত তেমন সম্ভাবনাই লক্ষ করা গিয়েছে। বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফ্রিটজ শ্লুনেগার বলেছেন, “আমরাই প্রথম নই যারা এই মহাসাগরের অস্তিত্ব এবং আকার সম্পর্কে অনুমান করছি। তবে, পূর্ববর্তী দাবিগুলির নেপথ্যে থাকা তথ্যগুলি ততটা নির্ভুল ছিল না। এবং অনেকাংশেই পরোক্ষ যুক্তির উপরে ভিত্তি করে তা করা হচ্ছিল। কিন্তু এবার উচ্চ-রেজোলিউশনের ছবি ব্যবহার করেছি আমরা। যা থেকে এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত মঙ্গলের গভীরতম এবং বৃহত্তম প্রাচীন মহাসাগরের সন্ধান মিলেছে। এই মহাসাগরটি গ্রহটির উত্তর গোলার্ধ জুড়ে বিস্তৃত ছিল। বর্তমানে তা ধুলোময় বালিয়াড়িতে ঢাকা থাকলেও এর আকৃতি এখনও লক্ষণীয়।”

বার্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং INAF-এর বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলে উপকূলরেখা এবং পলি জমার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। দেখা গিয়েছে বদ্বীপের চিহ্নও। যা থেকে পরিষ্কার, একসময় এই গ্রহ ছিল নীল গ্রহ। এবং সম্ভবত সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল।
প্রসঙ্গত, আমরা মঙ্গলগ্রহকে একটি শুষ্ক, লালগ্রহ হিসেবে জানি। কিন্তু বিজ্ঞানীদের দাবি অনুযায়ী, এই গ্রহই একসময় ছিল পৃথিবীর মতোই নীল গ্রহ! তবে কি প্রাণ ছিল মঙ্গলে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ধরনের গ্রহে জল সব সময়ই খুব মূল্যবান বস্তু। হতেই পারে, জল একসময় সত্যিই ছিল। পরবর্তী সময়ে উবে গিয়েছে। ফলে সেই সময় এখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকলেও থাকতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
