নয়া ‘M-Y ফর্মুলা’তেই ধুয়েমুছে সাফ আরজেডি’র ‘জঙ্গলরাজ’, গামছা উড়িয়ে ধন্যবাদ মোদির

নয়া ‘M-Y ফর্মুলা’তেই ধুয়েমুছে সাফ আরজেডি’র ‘জঙ্গলরাজ’, গামছা উড়িয়ে ধন্যবাদ মোদির

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়। প্রত্যাশার ধারকাছ দিয়েও যেতে পারল না বিরোধী মহাগটবন্ধনের পারফরম্যান্স। কার্যত ধুলিসাৎ বিরোধী শিবির। জেডিইউ-কে পিছনে ফেলে বিহারের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হতে চলেছে বিজেপি। এই জয়ের পিছনে মহিলা এবং যুবদের গুরুত্বপূর্ণ যোগদানের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর দাবি আরজেডি-র বড় ভরসার জায়গা ছিল মুসলিম এবং যাদবদের ভোট ব্যাঙ্ক অর্থাৎ ‘এমওয়াই সমীকরণ’। একেই কটাক্ষ করে মোদির দাবি এনডিএ-র পক্ষে এখন নতুন ‘এমওয়াই কম্বিনেশন’ অর্থাৎ মহিলা এবং যুব ভোট। এই নতুন ভোট ব্যাঙ্ক দু’হাত তুলে সমর্থন করেছে এনডিএ-কে।  

এই অবস্থায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরোধী জোটকে সরাসরি আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জয়ের ভাষণের বেশিরভাগ অংশজুড়েই ছিল কংগ্রেস এবং লালু যাদবকে আক্রমণ। নরেন্দ্র মোদির দাবি বিহারের নির্বাচনে আসন সংখ্যার পাশাপাশি জাতি সমীকরণেও পিছিয়ে পড়েছে। আরজেডি-র ভোট ব্যাঙ্ক বলে পরিচিত মুসলিম-যাদব সমীকরণ। সেই সমীকরণ এবার বদলে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। মোদি জানিয়েছেন, বিহারে মুসলিম-যাদব সমীকরণ বদলে এবার মহিলা-যুব সমীকরণ হয়েছে। রাজনৈতিক শিবিরের দাবি ছিল বিহারে মহিলা এবং যুবরা সাধারনত জেডিইউ-কে ভোট দেয়। সেই দাবিতে ফের একবার সিলমোহর পড়েছে এই নির্বাচনে। মহিলাদের জন্য নীতীশের চালু করা সব যোজনার লাভ তুলেছে এনডিএ। পাশপাশি তাঁর দাবি, জঙ্গলরাজ সরিয়ে বিহারকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে জেডিইউ। সেই কারণেই যুবদের ভোট পেয়েছেন নীতীশ।    

আরারিয়া, কাটিহার, কিষানগঞ্জ, পুর্ণিয়া। বাংলা লাগোয়া বিহারের এই চার জেলা একসঙ্গে সীমাঞ্চল নামে পরিচিত। বিহারের সংখ্যালঘুদের একটা বড় অংশ এই এলাকার বাসিন্দা। সীমাঞ্চলে মোট ২৪ আসন। অধিকাংশ আসনেই মুসলিম ভোট বড় ফ্যাক্টর। SIR-এর পর কংগ্রেস যেভাবে ভোটচুরি ইস্যুতে আসরে নেমেছিল, তাতে মুসলিম সমাজ তাদের সমর্থন করবে বলেই আশা করছিলেন হাত শিবিরের ভোট ম্যানেজাররা। বিহারে মহাজোটের বড় ভরসার জায়গা ছিল এই সীমাঞ্চল এলাকা। কিন্তু ভোটের ফল দেখা গেল সীমাঞ্চল থেকে ধুয়েমুছে সাফ মহাজোট। পদ্ম ফুটেছে। নীতীশের তিরও কাজ করেছে। উড়েছে ওয়েইসির ঘুড়িও। কিন্তু আরজেডি-কংগ্রেসের হাতে হ্যারিকেন।

এই ফলাফলের কারণ SIR-এর পরে মুসলিম ভোট যেভাবে একত্রিত হওয়ার কথা ছিল, সেটা হয়নি। বরং তাছাড়া SIR-এ এই এলাকার সবচেয়ে বেশি ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। ফলে মহাজোটের ভোট এমনিতেও কমেছে। তাছাড়া সীমাঞ্চলের সংখ্যালঘুরা এনডিএর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভরসাই করতে পারেননি মহাজোটকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *