দোল মানেই কি শুধু দিঘা-পুরুলিয়া? জেনে নিন ভিড় এড়িয়ে বসন্ত যাপনের এই সেরা ৩ ঠিকানা

দোল মানেই কি শুধু দিঘা-পুরুলিয়া? জেনে নিন ভিড় এড়িয়ে বসন্ত যাপনের এই সেরা ৩ ঠিকানা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


দোলের দিন বাড়িতে রং মেখে ভূত হতে চান? নাকি জমাট সিডিউলের সামান্য এই দু’দিনের ফাঁকফোকরে একটু বেড়িয়ে আসবেন? দোলে যদি বেড়াতেই হয় তাহলে দিঘা কিংবা পুরুলিয়া নয়। অচেনা, অজানা স্থানে বসন্ত উদযাপন করুন। কলকাতা থেকে এই তিন স্থান মোটেও খুব একটা দূর নয়। পলাশের লাল আর সমুদ্রের নির্জনতায় নিজেকে নতুন করে খুঁজে নিন। চেনা রাস্তার বাইরে, কোলাহলমুক্ত তিন নিভৃত গন্তব্যের হদিস রইল আপনাদের জন্য।

গুড়গুড়িপাল

আরও পড়ুন:

গুড়গুড়িপাল
শান্তিনিকেতন বা পুরুলিয়ার ভিড়ে যাঁদের দমবন্ধ লাগে, তাঁদের জন্য আদর্শ গুড়গুড়িপাল। মেদিনীপুর শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রাম যেন এক শান্ত নিসর্গ। শাল-পিয়ালের গভীর জঙ্গলে প্রিয়জনের হাত ধরে হারানো যায় অনায়াসেই। লাল মাটির রাস্তা আর আদিবাসী গ্রামের সারল্য আপনার ক্লান্তি মুছিয়ে দেবে নিমেষেই। কাছেই রয়েছে লালগড়ের জঙ্গল আর ঐতিহাসিক রামগড় রাজবাড়ি। বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভিটে মহবনীও এখান থেকে কাছেই। হাওড়া থেকে মেদিনীপুরগামী ট্রেনে চেপে মাত্র তিন ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় এখানে। থাকার জন্য মেদিনীপুর শহরে ভালো হোটেল থাকলেও, ইদানীং গড়ে ওঠা নেচার্স ক্যাম্পগুলোয় আগেভাগে বুকিং সেরে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

মুরুগুমা

মুরুগুমা
মুরুগুমা এক স্বর্গরাজ্য। অযোধ্যা পাহাড়ের পাদদেশে এই জলাধার যেন এক নীল দর্পণ। শাল, শিমুল আর মহুয়ার বনের ছায়ায় বসন্তের হাওয়া এখানে অন্যরকম নেশা ধরিয়ে দেয়। মুরুগুমার ড্যামে ভিনদেশি পাখির আনাগোনা আর টাটকা রুই-কাতলার স্বাদ ভোলার নয়। আসানসোল থেকে আদ্রা হয়ে বা সড়কপথে রানিগঞ্জ-শালতোড়া হয়ে পৌঁছে যান এই নির্জন বাঁধে। সন্ধ্যায় ধামসা-মাদলের বোলে আর মহুয়ার গন্ধে দোল যেন পূর্ণতা পায়। থাকার জন্য সরকারি কটেজ বা গুটিকয়েক হোটেলই ভরসা।

 

লালগঞ্জ


ভিড়ে ঠাসা মন্দারমণি বা বকখালি নয়, এবার লক্ষ্য হোক লালগঞ্জ। স্বল্প বাজেটে নির্জন সমুদ্রের স্বাদ পেতে এর জুড়ি মেলা ভার। ডায়মন্ড হারবার পেরিয়ে বকখালির পথেই পড়বে এই অচেনা সৈকত। ঝাউবনের আড়ালে নীল জলরাশি আর শান্ত বালুকাবেলা যেন ক্যানভাসের মতো সাজানো। শিয়ালদহ থেকে নামখানাগামী ট্রেনে গিয়ে সেখান থেকে অটো ধরে অনায়াসেই পৌঁছানো যায়। সমুদ্রতটে ক্যাম্পের তাঁবুতে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা সারা জীবন মনে থাকবে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *