তুলাইপাঞ্জি

তুলাইপাঞ্জি

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


সাগরিকা রায়

মাথাভাঙ্গা থেকে মাদারিহাট পর্যন্ত আসতে নেহাত কম সময় লাগল না। কঙ্কাবতী বেনারসি আর লাল ওড়নার আড়াল থেকে বোঝার চেষ্টা করল, ওরা মাদারিহাট পৌঁছে গেছে কি না। সেই বেলা তিনটের সময় রওনা হওয়া! নতুন বরের সঙ্গে গাড়িতে উঠছে যখন, তখনও ভাবেনি এত দূরে ওকে আসতে হবে বাড়ি ছেড়ে। কনকাঞ্জলির সময় মা যখন চালগুলো নিচ্ছে কঙ্কাবতীর হাত থেকে, তখন বুড়িপিসিমা বলে উঠেছে, ‘কালো নুনিয়ার চালগুলো ফেলিস না। ভালো করে ধর আঁচলে। এই চাল নষ্ট করা যায় নাকি?’

কঙ্কাবতী কালো নুনিয়ার চালগুলো সাবধানে মায়ের আঁচলে ফেলছিল, যাতে একটা চালও নষ্ট না হয়। এই চাল দিয়ে মা হয়তো ফেনা ভাত বা খিচুড়ি করবে। সেদিন কঙ্কাবতী খাবে না। ও তো তখন শ্বশুরবাড়িতে।

খুব রোদ আজ। শীতের দুপুর রোদে ঝলসে যাচ্ছে। কঙ্কাবতী কোমরে গুঁজে রাখা ছোট্ট রুমালটা হাতে নিয়ে মুখ মুছল। বাসটা এখানে এতটা সময় দাঁড়িয়ে আছে কেন? এটা কোন জায়গা?

বরযাত্রীদের বেশ কয়েকজন রাতে থেকে গিয়েছিলেন। তাঁরা সঙ্গে আছেন। বর তাঁদের সঙ্গে কী এক গোপন আলোচনায় মেতে আছে। ড্রাইভার স্টিয়ারিংয়ের ওপরে মাথা রেখে ঘুম দিচ্ছে। কঙ্কাবতীর সঙ্গে আছে ওর বোন ইধিকা। সে ক্লাস নাইনের ছাত্রী। ইদানীং সিনেমা, নায়ক, নায়িকা নিয়ে বেশ জ্ঞানী হয়ে উঠেছে। ইধিকা কঙ্কাবতীর কানে কানে বলল, ‘জামাইবাবুকে একদম হিরোর মতো লাগছে। আর একটু লম্বা  হলেই…!’

কঙ্কাবতী চোখ তুলে সাবধানে ওর নায়ককে দেখার চেষ্টা করল। লাভ ম্যারেজ নয়। লোকটা দেখতে এসেছিল যেদিন, সেদিন জ্বর ছিল কঙ্কাবতীর। ভালো করে লোকটাকে দেখাও হয়নি ওর। ছবি দেখেছে। তাতে কোনো নায়কের সঙ্গে সাদৃশ্য খুঁজে পায়নি। তবে ইধিকা যখন পেয়েছে, তখন হতেও পারে। ওর এসব দিকে খুব জ্ঞান।

বাবা বলে, ‘চেহারা দেইখা জল খাইও না। হাত দুইখান শক্তপোক্ত কি না, মাথায় বুদ্ধি আছে কি না, সেইটাই আসল!’

কেউ একজন বাস থেকে দ্রুত নেমে যেতে যেতে বলল, ‘দেরি করা ঠিক হবে না। নতুন বৌয়ের গায়ে গয়না আছে। নির্জন রাস্তা এরপরে। সাবধান থাকাই ভালো। তাড়াতাড়ি রওনা হয়ে যাও সব।’

কেউ একজন খিটখিট করে উঠল, ‘নতুন বৌয়ের গায়ের গয়না নতুন বৌকে বাঁচাতে বলো। বুদ্ধি থাকলে সে সম্পত্তি রক্ষা করবে। এই সময়েই বুদ্ধির পরীক্ষা হয়ে যাক। কী বলো পল্লবদা?’

সম্ভবত পল্লবদা নামের লোকটা হে হে হেসে বলল, ‘আরে শোভন, দুটোদিন সময় নাও। এখনই বুদ্ধির পরীক্ষা নিতে চাইছ?’

কঙ্কাবতী মাথা নীচু করে কান খাড়া করে থেকে বুঝে নিল, বরটি কঙ্কাবতীর বুদ্ধির পরীক্ষার কথা বলছে! কঙ্কাবতী নিজেই কি জানে ওর বুদ্ধি আছে কি নেই? বাবা বলে, ‘আমার বড় মেয়ে বড়ই আলুনি। বুদ্ধিতে লবণ নাই।’ বুদ্ধিতে লবণ থাকে কীভাবে, জানে না কঙ্কাবতী। তবে, দাঁতের মাজনের বিজ্ঞাপনে পেস্টে লবণ থাকার কথা বলে। সেই রকমই কি বুদ্ধিতে লবণ থাকে? তাতেই স্মার্ট হয় মানুষ? কঙ্কাবতী স্মার্ট নয়? সাদাসিধে মেয়ে। এটাই ওর সম্পর্কে বলে সবাই। ঝন্টু কাকিমা বলে, ‘বড় মেয়ের তুলনায় ছোটটি চালাক বেশি।’

তাহলে, চালাক হলেই বুদ্ধিতে লবণ মেশে?

মনটা খারাপ হতে শুরু করেছে। কেমন সব কিছু অচেনা, অজানা! এর সঙ্গে বরটিও হেডস্যরের মতো পরীক্ষা নিতে চাইলে কঙ্কাবতী যাবে কোথায়? বিয়ের সময় যখন সিঁদুরদান হয়ে গেল, বড় বৌদি বলল, ‘এখন এই তোমার সবচেয়ে আপন লোক!’ তা সেই আপনেরই এমন চরম পরের মতো ব্যবহার!

বরযাত্রীদের সকলেই প্রায় নেমে গেছে বাস থেকে। নীচে নেমে কী এত কথা হচ্ছে, বুঝতে পারছে না কঙ্কাবতী। খুব টায়ার্ড লাগছে ওর। তেষ্টাও পাচ্ছে। কী রোদ আজ!

ইধিকা নেমে গেছিল বাস থেকে। উঠে এসে বলল, ‘খবর এনেছি রে।’

-কী খবর? বাসের চাকা পাংচার নাকি?

-না, না। ওসব নয়। বাসের চাকা পাংচার হলে কিন্তু তোকে বরের বাড়ি থেকে অপয়া বলা হবে। সুতরাং সেসব উচ্চারণ করিস না। আমি শুনলাম, কাল তোর বৌভাত। এখানে আজ খুব বড় হাট বসে। সেখান থেকে সবজি ইত্যাদি বাজার করে নেওয়া হবে বলেই না জামাইবাবু এখানে বাস থামিয়েছে!

শুনে তো কঙ্কাবতী হাঁ। কী বুদ্ধি লোকটার! দাম কম বলে এখান থেকে বাজার করে নেবে? বেশ তো!

কিছুক্ষণের মধ্যেই যখন রাশি রাশি সবজি উঠতে লাগল বাসে, তখন কঙ্কাবতী মুগ্ধ হয়ে আছে শোভন নামের বরটির প্রতি। ঘোমটার আড়াল থেকে দেখল, বড় একটা আলুর বস্তা নিজে টেনে বাসে ওঠাচ্ছে নতুন বর!

                                                (২)

জটেশ্বরে কিছু বরযাত্রী নেমে গেল। বাস এখন প্রায় ফাঁকা। কেবল বরকর্তা মানে বরের বাবা, কাকা আর এক কাকিমা ছাড়া বাসে এখন বরযাত্রীদের কেউ নেই। স্টপেজ আসতে আসতে যে যার বাড়িতে নেমে গেছে। নইলে মাদারিহাটে গিয়ে ফের ফিরে আসা, অযথা জার্নির কোনো অর্থ হয় না। শোভন এগুলো ভালোই বোঝে। হিসেবে বেশ দড়।

ড্রাইভার জেগে ওঠে, ‘তাহলে? স্টার্ট দিই কাকা?’ বলাতে বস্তার গাদা সামলে নিতে নিতে বরবাবাজি বলে ওঠে, ‘একটু ওয়েট করতে হবে। কিছু মাল বাসের ছাদে গেছে। সেসব ঠিকঠাক গেল কি না, একবার দেখে আসি।’ বলেই তরতর করে বাস থেকে নেমে গিয়ে সম্ভবত বাসের ছাদ চেক করতে গেল।

কঙ্কাবতী শুনতে পাচ্ছে বর কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলছে। কথা বলতে বলতে বাসে উঠে এসেছে, ‘বাবা, কিছু প্যাসেঞ্জার বাস দেখে উঠতে চাইছে। কী করি? তুলে নিই’

বরের বাবা একটু ভাবেন, ‘তুলে নিবি? তা নে! এইসময় কিছু ইনকাম হয়ে যাবে।’

মানে? কঙ্কাবতী বুঝল না, দুটো যাত্রীকে বাসে তোলা মানে ইনকাম হয়ে যাবে? তার মানে, লোকদুটোর কাছ থেকে ভাড়া নেবে এরা? সত্যি? এরকম  হয়?

হয় কি না ভেবে ওঠার আগেই কঙ্কাবতী দেখে বাসের দরজায় দাঁড়িয়ে শোভন নামের নতুন বর দুম দুম করে দরজা পিটাচ্ছে আর মুখে চিৎকার করে বলছে, ‘মাদারিহাট! মাদারিহাট!’

টোটাল প্যাসেঞ্জার হলো সাতজন। খানিক পরে সাত হয়ে গেল এগারো। ড্রাইভার ভারী অবাক হয়ে বলল, ‘এবারে যাই কাকা?’

বরের বাবা তৃপ্ত মুখে বললেন, ‘যাও! আস্তেধীরে যাও।’

বাস চলতে শুরু করেছে, বরের কাকিমা ক্লান্ত গলায় বললেন, ‘নতুন বৌ, জল খাবে’

ইধিকা বলে ওঠে, ‘আমি খাইয়ে দিয়েছি কাইমা।’

কাকিমা হেসে হেসে বলেন, ‘বারবার নতুন বৌ বলে ডাকতে ভাল্লাগে না। হ্যাঁ গো, তোমার নামটা যেন কী? মানে বেশ বড় নাম। ভুলে যাই এট্টু পর পর!’

কঙ্কাবতী মুখ নীচু রেখেই বলে, ‘আমার নাম কঙ্কাবতী!’

‘তোমার নাকি বিউটি পার্লার আছে? মানে ছিল? সত্যি?’ কাকিমা বেশ আগ্রহ নিয়ে ঝুঁকে পড়েন কঙ্কাবতীর দিকে।

‘হ্যাঁ। আছে। মানে বোন এখন চালাবে! বাড়িতেই বিজনেসটা করতাম।’ কঙ্কাবতী বলে।

-ওমা! তাইলে তো খুব ভালো। আমাদের বাড়িতে একটা পার্লার খুললে আমরাও সাজগোজ করতে পারি। আমার দুই মেয়ে মাসে দুইবার ভ্রূ তুলতে যায়! বাড়িতেই যদি ব্যবস্থা থাকে, তাইলে তারা বাইরে যাবে ক্যান? আমিও ভ্রূ তুলব নতুন বৌ!

কঙ্কাবতী আড়চোখে নতুন বরকে দেখার চেষ্টা করে। উনি বা শ্বশুরবাড়ির লোকজন যদি চান, তাহলে আবার বিজনেস করে উঠতে পারবে কঙ্কাবতী। কিন্তু যদি না চান? মনে হয় না আপত্তি করবেন। যে প্রত্যেক পদক্ষেপে ইনকামের কথা ভাবে, সে কেন কোনও বিজনেস করাতে আপত্তি করবে?

ফোন বেজে উঠেছে। স্পিকারে দেওয়া আছে ফোন। শ্বশুরমশাই ফোন রিসিভ করেছেন। মাদারিহাট থেকে শাশুড়ি মা ফোন করেছেন। কঙ্কাবতী শুনতে পেল, জোরদার গলায় মহিলা বলছেন, ‘এত দেরি হচ্ছে কেন? সব ঠিক আছে তো?’

-হ্যাঁ গো। সব ঠিক আছে। রাস্তায় একটা বড় হাট বসে। সেখান থেকে কিছু সবজি তোলা হলো বাসে। কাল বৌভাত। সস্তায় সবজি নিয়ে যাচ্ছি।

-আচ্ছা, আচ্ছা, বেশ বেশ। তা চালও আনছো তো?

‘চাল? সে কী? চাল তো আগেই কেনা আছে!’ শ্বশুরমশাইয়ের গলায় দ্বিধা টলমল করে। চাল নিয়ে একেবারেই ভাবেননি। সেটা কি ঠিক না ভুল?

-হ্যাঁ, চাল! ওখানে খুব ভালো সেই চালটা পাওয়া যায়। আমার মা আসছে রায়গঞ্জ থেকে। তুমি তো জানো, মা সেই চাল ছাড়া ভাত খায় না? সেই চাল আনো। অন্তত পঞ্চাশ কেজির একটা বস্তা চাই-ই চাই। নইলে বৌবরণ করব না, বলে দিলাম!

শ্বশুরমশাই শুধু নয়, নতুন বৌ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছে এই হুমকি শুনে। শ্বশুরমশাই কিছু বলার আগেই বর বলে উঠল, ‘মা, কোন চালের কথা বলছ?’

ঝাঁঝ মিশিয়ে শাশুড়ি মা বলে ওঠেন, ‘আমার সব মনে থাকে? জানো না আমার মা কোন চাল খায়?’

‘কী সব্বোনাশ!’ বলে কাকিমা মাথায় হাত দেন, ‘দিদি যদি বৌবরণ না করে, তাইলে কে করবে বৌবরণ? শাশুড়িই তো করে, এটাই তো নিয়ম! নিয়ম ভাঙবে দিদি? সে কেমন কথা!’

শ্বশুরমশাই ফোন কেটে দিলেন, ‘এই যে, সক্কলে মনে করো আমার শাশুড়ি কোন চাল খান! এই ড্রাইভার, গাড়ি থামাও। হাটে ব্যাক করো। চাল না নিয়ে বাড়িতে ঢোকা যাবে না! খুব সমস্যা।’

বাস শুদ্ধ লোক হা-হুতাশ শুরু করে দিয়েছে। কেউ চেঁচিয়ে উঠেছে, ‘মনে পড়িছে। স্বর্ণ ধান তো?’

-আরে নাহ্।

তখন আরেকজন হাত তোলে, ‘আমি বলি? উত্তর সোনা ধান!’

-না।

-আমি বলি দাদা? দুধের সর?

-না।

-জিরাফুল? চিনিগুঁড়া? বাসমতী? জেসমিন? লক্ষ্মীভোগ? দুবরাজ?

শ্বশুরমশাই কেমন একরকম সুরে কথা বলেন, ‘আমার দুর্ভাগ্য! এই শাশুড়ি মা আমার জন্য কত করেন! নিজের ধানিজমির কতটা আমার নামেই রেখেছেন। সারাজীবন আমার যত্নআত্তি করেছেন। এখন দেখ, উনি আসবেন, অথচ তিনি কী চালের ভাত খান, আমার সেটাই মনে নেই! ছি ছি! মুখ দেখাবো কী করে?’

কাকিমা কান্নাকাটি শুরু করার আগের মুহূর্তে পৌঁছে গেছেন, ‘হ্যাঁ দাদা! একটা চালের নাম কারও মনে নেই? তাইলে বৌবরণ হবে না? দিদি যা বলে, তাই করে। বৌ থাকবে কোথায়?’

কঙ্কাবতীর পাশে বসে ইধিকা বলে, ‘দিদি, আমি নামটা বলে দিই?’

-তুই জানিস?

-জানি, জানি। আমাদের বাড়িতে রোজ হয়! তুই কনকাঞ্জলী দিলি যে চাল দিয়ে, সেটাই তো! কারও মনে পড়ছে না, আমি বলি?

কঙ্কাবতী কিছু বলে ওঠার আগে ইধিকা বলে ওঠে, ‘নুনিয়ার চাল মেসোমশাই। কালো নুনিয়া!’

শ্বশুরমশাই খানিকক্ষণ ইধিকার দিকে চেয়ে থেকে বলেন, ‘তুমি যে চেষ্টা করেছ মা, এটাই অনেক। কিন্তু আমার মনে আছে, নামটা কালো নুনিয়া না। অন্য একটা, কী যেন!’

কঙ্কাবতী সব শুনছে। কথা বললে এঁরা রাগ করবেন কি? নতুন বৌ কি এত লোকের মধ্যে কথা বলবে? মা বলে দিয়েছে, নতুন আত্মীয়, বেশি ফট ফট করো না যেন!

এক গাড়ি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মানুষের সামনে কঙ্কাবতীর কথা বলতে একটু লজ্জা করছিল। কিন্তু, না বললেও যে বিপদ। সারারাত বাইরে বসে থাকবে কী করে শীতের মধ্যে? কঙ্কাবতী উঠে দাঁড়ায়। একটু নরম অস্পষ্ট স্বরে উচ্চারণ করে, ‘তুলাইপাঞ্জী চাল?’

বাসশুদ্ধ লোক একদৃষ্টে নতুন বৌয়ের দিকে চেয়ে আছে। শ্বশুরমশাই বলে ওঠেন, ‘তুলাইপাঞ্জী! তুলাইপাঞ্জী! বাস থামাও ড্রাইভার। ব্যাক করো। এই হাটে পাওয়া যাবে, আমি জানি!’

বাস ফের হাটের কাছের রাস্তায় চলে এল। পঞ্চাশ কেজি চাল পাওয়া গেল না ভাঙা হাটে। পঁচিশ কেজি চাল নিয়ে বাস যখন মাদারিহাটের দিকে রওনা হলো, বেলা পড়ে এসেছে।

বৌবরণের সময় রোগাপাতলা শাশুড়ি নাকছাবিতে ঝিলিক দিয়ে বললেন, ‘চালের নাম নাকি তুমি মনে করাই দিছ? তোমারে বরণ করব বইলা সেই থিকা বইসা আছি। আসো তোমার ঘরে নতুন বৌ।’

-ওর নাম কী? ওরে নাম ধরে ডাকো। কতবার আর নতুন বৌ বলবে তুমি?

শাশুড়ি মিষ্টি খাওয়াতে খাওয়াতে বলেন, ‘তোমার নাম কী?’

-কঙ্কাবতী!

-অনেক বড় নাম। ছোট কোনো নাম নাই?

-আছে। তুলসী। আমার মা আমাকে তুলাই বলে ডাকে। তুলাইপাঞ্জী! তাই তো আমার চালের নাম মনে আছে!

বধূবরণ হচ্ছে। গোছানো সংসারে পা রাখে তুলাইপাঞ্জী।

The publish তুলাইপাঞ্জি appeared first on Uttarbanga Sambad.



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *