তিন দশকেরও বেশি, বাঙালির আবেগ ও ঐতিহ্যের সঙ্গী শ্রীলেদার্স, জানুন ডিলারশিপের খুঁটিনাটি

তিন দশকেরও বেশি, বাঙালির আবেগ ও ঐতিহ্যের সঙ্গী শ্রীলেদার্স, জানুন ডিলারশিপের খুঁটিনাটি

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


তিন দশকেরও বেশি। বাঙালির আবেগ ও ঐতিহ্যের সঙ্গী শ্রীলেদার্স। দীর্ঘ এতগুলো বছর বাঙালির ভরসার একমাত্র ঠিকানা। গুণমান সম্পন্ন চামড়ার পাদুকা সকলের জন্য সহজলভ্য করে তোলাই এই প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক লক্ষ্য। স্টাইলের ব্যাপারেও ছোট থেকে বড় সকলের প্রিয়। স্বনামধন্য পাদুকা প্রতিষ্ঠানটির সূচনা শ্রী সত্যব্রত দে-র হাত ধরে। আজ এই প্রতিষ্ঠানে সামিল হয়েছেন উত্তরসূরিরাও। আগের থেকে এখন আরও উন্নত ও প্রতিষ্ঠিত। তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত প্রিয় এই ব্র্যান্ড।

ভারতবর্ষ জুড়ে প্রায় ৫০টি স্টোর রয়েছে শ্রীলেদার্সের। ক্রমাগত চাহিদা বাড়তে থাকায় দিন দিন স্টোরের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে, চাইলেই কেউ শ্রীলেদার্সের ডিলারশিপ নিতে পারবেন না। রয়েছে কিছু শর্ত। ডিলারশিপ দলের নেতৃত্বে রয়েছেন দুই ম্যানেজার সোহম দাশগুপ্ত ও সুমন শীল। এক্ষেত্রে কিছু প্রাথমিক শর্ত মেনে চলতে হবে। কী কী? প্রথমত, বাজারের কেন্দ্রস্থলে হতে হবে এই স্টোর। স্টোরের জায়গাটি শুধুমাত্র শ্রীলেদার্সের পণ্যের জন্য (একক ব্র্যান্ডের) হতে হবে। স্টোরের জায়গা কমপক্ষে ৬০০০ বর্গফুট হওয়া বাঞ্ছনীয়। (নিচে তলায় প্রবেশাধিকার বাধ্যতামূলক)। নিচে তলায় ন্যূনতম ৩০০০ বর্গফুট এবং বাকিটা প্রথম তলায় হতে হবে। স্টোরের সম্মুখভাগ হতে হবে কমপক্ষে ১৫০ বর্গফুট।

আরও পড়ুন:

সুদর্শন মান্না, কাঁথি

নতুন ডিলারশিপ নেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের সুদর্শন মান্না স্মৃতি রোমন্থন করেছেন। বাঙালির সাধ্যের মধ্যে স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকারকে পূর্ব মেদিনীপুরে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি একসময় মার্কেট সার্ভে শুরু করেছিলেন। ২০১৭-তে কাঁথিতে স্টোর ওপেন করেন তিনি। কাঁথির পর সুদর্শনবাবু নিজের হোমটাউন তমলুকে ২০২৪ সালে শ্রীলেদার্সের আরও একটি স্টোর খোলেন। অনেক চড়াই উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন শ্রীলেদার্স।

সুশান্ত মুখোপাধ্যায়, মালদা

মালদা ডিস্ট্রিক্টের আরেক ডিলার সুশান্ত মুখোপাধ্যায় নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তিনি ইন্জিনিয়ারিং পাশ করে প্রতিষ্ঠিত কর্পোরেট সেক্টরে বেশ কয়েক বছর চাকরি করেন। কলকাতা লিন্ডসে স্ট্রিটে লম্বা লাইনে প্রথম শপিং করার সময় মালদাতে শ্রীলেদার্সের শোরুম খোলার প্রথম পরিকল্পনা তাঁর মাথায় আসে। পড়ে ফোনে যোগাযোগ করেন তিনি। অবশেষে স্বপ্ন পূরণ হয় শ্রীলেদার্সের কর্ণধার সত্যব্রতবাবুর সহযোগিতায়।

প্রবীর কুমার দাস, হাওড়া

নব্বই-এর গোড়ার দিকে শ্রীলদার্স ব্র্যান্ড বাঙালির নিজের আপন হয়ে উঠেছিল। সে সময় হাওড়া ময়দানে কীভাবে স্টোর খুলতে উদ্যোগী হয়েছিলেন, সেই অভিজ্ঞতার কথাই শোনালেন প্রবীর কুমার দাস। মানুষের মধ্যে শ্রীলেদার্স নিয়ে যে বেগ ও ভালোবাসা তা অবাক করেছিল তাঁকে। শ্রীলেদার্স পরিবারের অংশ হতে চাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালে সংস্থার সরাসরি যোগাযোগ করেন তিনি। চলতে থাকে প্রস্তুতি। ১৯৯৬ সালের ২৩ আগস্ট ২০০০ বর্গফুটের স্টোর খোলেন তিনি। পাশে ছিলেন শ্রীলেদার্সের সকল সদস্য। ছিলেন স্বয়ং সত্যব্রত দে মহাশয়। আজ সেই স্টোর ১২,০০০ বর্গফুটে উন্নীত হয়েছে।

ডিলারশিপ নিতে হলে কলকাতার শ্রীলেদার্স হেডকোয়ার্টার্সে দেখা করতে হবে। ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী সত্য ব্রত দে-র সঙ্গে দেখা করানোর আগে লিন্ডসে স্ট্রিটে অবস্থিত শ্রীলেদার্সের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি ঘুরিয়ে দেখানো হয়। এই স্বচ্ছতা বজায় রাখার কথা জানান প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার সুমন শীল। এতে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির মধ্যস্থতার আশঙ্কা থাকে না বলে তিনি জানান। শ্রীলেদার্স ডিলারশিপের অবস্থান অনুমোদন কিছুটা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। স্থান অনুমোদনের আগে সেটি পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার পর্যায়ে থাকে। তাই ভালো করে পর্যালোচনা না করে তাড়াহুড়োয় শ্রীলেদার্সের কোনও ডিলারশিপ দেওয়া হয় না বলে জানালেন আরেক ম্যানেজার সোহম দাশগুপ্ত।

কীভাবে আবেদন করতে পারবেন?
শ্রীলেদার্সের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://sreeleathers.com/-এ সরাসরি ফর্ম জমা করতে পারবেন। আপনার দেওয়া বিবরণ যদি ম্যানেজমেন্ট টিমের চাহিদা অনুযায়ী মিলে যায়, তাহলে ডিলারশিপ ম্যানেজারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়। যদিও এই প্রক্রিয়াটি কিছুটা সময় সাপেক্ষ।
যোগাযোগের নম্বর: 9674997429

সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল
ফেসবুক – @SreeleathersOfficial
ইনস্টাগ্রাম – @SreeleathersOfficial

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *