তরুণীর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন দিল লিভ ইন সঙ্গী! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

তরুণীর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন দিল লিভ ইন সঙ্গী! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


১৯ বছরের তরুণীর উপরে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন লিভ ইন সঙ্গী। ঘটনা গুরুগ্রামের। পুলিশকে অপরাধের জবানবন্দি দিতে গিয়ে অভিযুক্ত তরুণ নাকি জানিয়েছেন তিনি তাঁর সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। এবং ধাতব বোতল দিয়ে আঘাতও করেন তাঁর মাথায়। পাশাপাশি ঘরের আসবাবেও মাথা ঠুকে দেন। পরে ছুরি নিয়ে তাড়া করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নির্যাতিতা।

গুরুগ্রাম পুলিশের কাছে নির্যাতন নিয়ে মুখ খুলে ত্রিপুরার বাসিন্দা তরুণীর দাবি, টানা তিনদিন ধরে তাঁর উপরে অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছিলেন ১৯ বছর বয়সি দিল্লির বাসিন্দা শিবম। আর এই অত্যাচারের শুরু বচসা থেকে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দু’জন বিয়ে নিয়ে কথা বলছিলেন। আগে বিয়ের ব্যাপারে আশ্বাস দিলেও এদিন বেঁকে বসেন শিবম। মধ্যরাতে শুরু হয় ঝগড়া। এরপরই অত্যাচার শুরু করেন তিনি।

আরও পড়ুন:

জানা যাচ্ছে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দু’জনের আলাপ। সেখান থেকে সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। এমনকী দু’জনের পরিবারও বিষয়টি জেনে যায়। এর মধ্যেই একসঙ্গে গুরুগ্রামে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ঘটে গেল এমন এক ভয়াবহ ঘটনা। সফদরজং হাসপাতালে গুরুতর জখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা। শিবমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে নির্যাতিতাকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চোট গুরুতর থাকায় দ্রুত সেখান থেকে এইমস ও ক্রমে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। তরুণীর মা দাবি করেছেন, অভিযুক্তর বিরুদ্ধে যেন ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়। তিনি জানাচ্ছেন, তাঁর মেয়ের আর্তি মেশানো ফোন পেয়েই পুলিশে খবর দেন তিনি। মেয়ে যে ওই তরুণের সঙ্গে একসঙ্গে থাকত, তা তাঁরা জানতেন না বলেও দাবি ওই মহিলার।

ইতিমধ্যেই একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তরুণীর মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পূর্ণ হলে আরও ধারা যোগ করা হবে বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কোনও তথ্য পাওয়া যায় কিনা তাও দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *