ট্রাফিকে আটকে মোদিরই নৈশভোজে যেতে পারলেন না মার্কিন সংস্থার সিইও! প্রশ্নের মুখে দিল্লির ‘ট্রিপল ইঞ্জিন’

ট্রাফিকে আটকে মোদিরই নৈশভোজে যেতে পারলেন না মার্কিন সংস্থার সিইও! প্রশ্নের মুখে দিল্লির ‘ট্রিপল ইঞ্জিন’

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজে তাঁর হাজির থাকার কথা ছিল। কিন্তু যানজটের জেরে নয়াদিল্লির রাস্তাঘাটের এমনই বেহাল দশা যে, সেই নৈশভোজে পৌঁছোতেই পারলেন না মার্কিন সংস্থা ‘অ্যাডাপশন ল্যাবস’-এর সিইও সারা হুকার। বিমানবন্দর থেকে গন্তব্যে পৌঁছোতে তাঁর প্রায় চার ঘণ্টা লেগেছে। আর যতক্ষণে তিনি পৌঁছেছেন, ততক্ষণে সব শেষ! অবশেষে হোটেলে গিয়েছে খাবার অর্ডার করতে হয়েছে সারাকে।

আরও পড়ুন:

সারার মতো দিল্লির যানজটে পড়েছিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই ঋষি সুনকও। তিনি দিল্লিতে আয়োজিত এআই সম্মেলনে দেরিতে পৌঁছেছেন। পরে সম্মেলনের মঞ্চ থেকেই তাঁর রসসিক্ত মন্তব্য, ‘‘এআই অনেক কিছুই পারে, কিন্তু দিল্লির ট্রাফিককে শুধরোতে পারে না।’’

সোমবার থেকে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী মোদির অনুষ্ঠান থাকায় সম্মেলনে ঢোকার জন্য অতিথিদের দু’-তিন ঘণ্টা রাস্তায় অপেক্ষা করতে হয়েছিল। গতকাল ভারত মণ্ডপমে ছিল বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নৈশভোজ। তার জন্য দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সভাস্থলের কাছে ট্যাক্সি বা অন্য গাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভারত মণ্ডপমের কাছে মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে বুধবার রাত থেকে সম্মেলন থেকে বেরিয়ে বিদেশি অতিথি, তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে দেশের উদ্যোগপতিদের রাস্তায় তিন-চার কিলোমিটার হাঁটতে হয়।

বৃহস্পতিবার কার্যত থমকেই গিয়েছিল রাজধানী শহর। নয়াদিল্লি জুড়ে যানজট তৈরি হওয়ায় বহু মানুষ দু’তিন ঘণ্টা গাড়িতে আটকে ছিলেন। অনেকে অসুস্থও হয়ে পড়েন। ঠিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছোতেই পারেননি বিচারপতি এবং আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতির এজলাসেই আধ ঘণ্টা দেরিতে শুনানি শুরু হয়েছিল।

আরও পড়ুন:

এই পরিস্থিতি নিয়ে কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি এবং তৃণমূলের প্রশ্ন, দিল্লিতে এখন ‘ট্রিপল ইঞ্জিন’ সরকার চলছে। কেন্দ্র, রাজ্য, পুরসভা, সর্বত্র বিজেপি। দিল্লির পুলিশ অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন। তারপরেও এই অব্যবস্থা কেন? কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরার কটাক্ষ, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জমানায় সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানকে কোলাকুলি করা, ছবি তোলার উৎসবে পরিণত করে ফেলা হয়। এআই সম্মেলন উদ্ভাবন নিয়ে চিন্তাভাবনার আদানপ্রদানের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারত। তার বদলে রোবট-কুকুর বা ড্রোনের মতো সস্তার চিনা পণ্যের বাজার হয়ে গেল।’’

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *