টানা ৩ ম্যাচে জয় নেই ইস্টবেঙ্গলের, অস্কারকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, দেবব্রত বললেন, ‘জঘন্য ফুটবল’

টানা ৩ ম্যাচে জয় নেই ইস্টবেঙ্গলের, অস্কারকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, দেবব্রত বললেন, ‘জঘন্য ফুটবল’

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে ম্যাচের আগেই যেন ফোকাসটা নড়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। সাংবাদিক সম্মেলনে কোথায় প্রতিপক্ষকে নিয়ে নিজের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাথা ঘামাবেন তা নয়, খোদ ক্লাব কর্তাদের ইঙ্গিত করে সুর চড়া করেছিলেন লাল-হলুদ কোচ। শনিবার ইস্টবেঙ্গল-কেরালা ম্যাচের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াল ক্লাব কর্তাদের বিরুদ্ধে অস্কার ব্রুজোর একাধিক অভিযোগ। ফলে যুবভারতীতে ফলাফল যা হওয়ার তাই হল। এগিয়ে গিয়েও ছন্নছাড়া ফুটবল খেলে শেষ পর্যন্ত ড্র করে মাঠ ছাড়তে হল মশাল বাহিনীকে। যার ফলে যুবভারতীতে লাল-হলুদ সমর্থকরা ক্ষোভ উগরে দিলেন। ব্রুজোকে শুনতে হল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান।

আরও পড়ুন:

দুই দলের জন্যই ‘মাস্ট উইন’ ম্যাচের আগে ইস্টবেঙ্গল কোচের কথায় উষ্মার মেঘের ভ্রূকুটি ছিল। সেই মেঘ কাটিয়ে কি লাল-হলুদ জিতবে, প্রশ্নটা ছিলই। এমন একটা ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল করে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাবকে রুখে দিল কেরালা। একেবারেই মন ভরল না বিপিন সিং, ইউসুফ এজেজারিদের খেলায়। পরপর তিন ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়ে আইএসএলে আরও বিপাকে লাল-হলুদ।

এবারের আইএসএলের শুরুটা অসাধারণ করেছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে প্রথম দুই ম্যাচ জয়ের পর কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেলেছে অক্সার ব্রুজোর দল। তার ব্যতিক্রম হল না। প্রত্যাবর্তনের জন্য মাঠে নামা ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাশা মতো খেলতে পারল না। খেলা যতই গড়িয়েছে, ততই যেন ফিকে হয়েছে লাল-হলুদ। বিশেষ করে শেষ কোয়ার্টারে একেবারেই বর্ণহীন ছিল ইস্টবেঙ্গল। যার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৯০+২ মিনিটে সমতায় ফেরে কেরালা। ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে ফ্রি হেডারে বল জালে জড়ান আজসাল। এক গোলের ব্যবধান যে কতটা বিপজ্জনক হতে পারে, তা বোঝা গেল আবার। এমন হতশ্রী ফুটবলে প্রতিবাদের সুর আরও চড়া করে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

দর্শকদের প্রতিবাদ কী কানে গিয়েছে ব্রুজোর? ম্যাচের পর ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, “সমর্থকরা অবিশ্বাস্য ছিল। ৯০ মিনিট ওরা দলের সঙ্গেই ছিল। তবে সেট পিসের মুহূর্তে ওরা হতাশা প্রকাশ করেছে। তবে এই অধিকার সমর্থকদের আছে। আমার বিশেষ কিছু বলার কিছু নেই। সকলেই জিততে মাঠে নামে। কিন্তু সমর্থকরা যদি এভাবে হতাশা প্রকাশ করে, সেটা আমাদের মেনে নিতে হবে।”

আরও পড়ুন:

তিনি আরও বলেন, “কেরালা ম্যাচের পর আমরা তিন নম্বরে আছি। বাকি ম্যাচে কী হয় দেখা যাক। শিরোপার লড়াই নিয়ে কিছু ভেবে চাপ নিতে চাইছি না। এটা নির্ভর করবে আইএসএলের প্রথম পর্বে কেমন খেলি তার উপর। যদি স্বপ্ন দেখার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন দেখা যাবে।” ব্রুজোর এই কথায় কি উষ্মার বরফ গলবে? আপাতত তার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। শনিবারের ম্যাচের পর ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, “এত জঘন্য ফুটবল চোখে দেখা যায় না।” তাহলে কি ইস্টবেঙ্গল কোচের বিদায়ঘণ্টা বাজবে? “অস্কারকে ছাড়ার ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই।” বলছেন দেবব্রত।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *