‘চিনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করলে…’, এবার কানাডার উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুমকি ট্রাম্পের

‘চিনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করলে…’, এবার কানাডার উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুমকি ট্রাম্পের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


চিনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করলেই কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে কানাডাকে। কানাডার পণ্যের উপর চাপানো হবে ১০০ শতাংশ শুল্ক। এবার উত্তর আমেরিকার দেশটিকে এই ভাষাতেই হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরও পড়ুন:

সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি যদি মনে করেন চিনের পণ্য আমেরিকায় পাঠানোর জন্য কানাডাকে একটি ড্রপ-অফ পোর্ট বা মধ্যবর্তী কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করবে, তাহলে তিনি সম্পূর্ণ ভুল করছেন। কানাডা যদি চিনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করে, তাহলে সে দেশের পণ্যের উপর আমরা ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপাবো।’  

কিছুদিন আগেই চিন সফরে গিয়েছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। ওয়াশিংটনের উপর নির্ভরতা কমাতে চিনের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করতে তিনি সম্মত হয়েছেন। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর একটি সাংবাদিক সম্মেলনে কারনি বলেন, “কানাডা এবং চিনের বাণিজ্য-প্রতিবন্ধকতা দূর করতে এবং শুল্ক হ্রাসের লক্ষ্যে একটি বাণিজ্যচুক্তি প্রয়োজন।” সূত্রের খবর, এই চুক্তির আওতায় কানাডা থেকে আমদানিকৃত ক্যানোলা (এক ধরনের বীজ) পণ্যের উপর শুল্ক অনেকটা কমাবে চিন। বর্তমানে এই ক্যানোলা পণ্যের উপর চিন ৮৪ শতাংশ শুল্ক ধার্য করে। দু’দেশের চুক্তি হলে সেই শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হবে বলে জানিয়েছে বেজিং। এছাড়া কানাডার নাগরিকদের জন্য ভিসা ছাড়াই চিনে প্রবেশের অনুমতি দেবে জিনপিং সরকার। এর বিনিময়ে ৬.১ শতাংশ শুল্কহারে ৪৯ হাজার চিনা বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি করবে কানাডা।

উল্লেখ্য, হুয়াওয়ে প্রতিষ্ঠাতার কন্যাকে আমেরিকার জারি করা পরোয়ানার ভিত্তিতে কানাডা সরকার গ্রেপ্তার করার পরই চিন–কানাডা সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এরপরই চরবৃত্তির অভিযোগে দুই কানাডিয়ান নাগরিককে আটক করে বেজিং। পরবর্তীকালে দু’দেশ একে অপরের উপর শুল্ক আরোপ করে। তবে চিন জানিয়েছে, তারা কানাডার সঙ্গে সম্পর্ক আবার মসৃণ করতে চায়। অন্যদিকে, একই রকম বার্তা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রীও। এই পরিস্থিতিতে চিন-কানাডার সক্ষতাকে মোটেই ভালো চোখে দেখছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর জেরেই তিনি কানাডাকে শুল্ক-হুঁশিয়ারি দিলেন।

আরও পড়ুন:

প্রসঙ্গত, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কয়েকদিন ধরেই কানাডা-আমেরিকার সম্পর্কে টানাপড়েন চলছিল। জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপে ‘গোল্ডেন ডোম’ গড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তার কড়া বিরোধিতা করে অটোয়া। এরপরই কানাডাকে সতর্ক করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি, অটোয়াকে পালটা দিয়ে তিনি বলেন, “চিনই তো ওদের গিলে ফেলবে।”

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *