কেরলে নাবালিকাকে ধর্ষণ! ফেরার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল খড়গপুর জিআরপি

কেরলে নাবালিকাকে ধর্ষণ! ফেরার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল খড়গপুর জিআরপি

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


কেরলে নাবালিকাকে ভয় দেখিয়ে লাগাতার ধর্ষণ! ঘটনার কথা কাউকে জানালে খুনের হুমকি! থানায় অভিযোগ জানানোর পরই সেই রাজ্য থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। তাকে ধরতে লুক  নোটিস জারি করে স্থানীয় পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে খগড়পুর জিআরপির হাতে গ্রেপ্তার অসমের যুবক। ধৃতকে কেরল পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে জিআরপি।

অভিযুক্তের নাম আবুল হোসেন। বয়স ৪০ বছর। তিনি অসমের বাসিন্দা। খড়গপুর পুলিশ জানতে পারে, কেরালার এর্নাকুলাম থেকে অসমের ডিব্রুগড়গামী বিবেক এক্সপ্রেসে রয়েছে অভিযুক্ত। মঙ্গলবার রাতে রীতিমতো পিছু ধাওয়া করে তাকে দাঁতনে গ্রেপ্তার করে খড়গপুর জিআরপি। তারপরই খড়গপুর জিআরপির পক্ষ থেকে কেরল পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।  বুধবার সকালেই খড়গপুর জিআরপি থানায় পৌঁছয় কেরল পুলিশ। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে কেরলের উদ্দেশ্যে দিয়েছেন তদন্তকারীরা। এই কাজে সাহায্য করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে কেরল পুলিশ।

আরও পড়ুন:

কেরল পুলিশের এসআই মুরলীধরণ জানিয়েছেন অসমের বাসিন্দা এই ব্যক্তি কর্মসূত্রে কেরালার এর্নাকুলাম জেলার কুন্নাথুন্ডু থানা এলাকায় থাকতেন। ধৃত যে বাড়িতে থাকত তার ঠিক উলটোদিকে নির্যাতিতা নাবালিকার বাড়ি। অভিযোগ নাবালিকাকে ভয় দেখিয়ে এই ব্যক্তি লাগাতার ধর্ষণ করেছে। এমনকী কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে বলেও অভিযোগ। ভয়ে কাউকে কিছু বলেনি নাবালিকা। কিন্তু লাগাতার ধর্ষণের জেরে নাবালিকা একসময় অসুস্থ হয়ে পড়ে। ভয় কাটিয়ে বাড়িতে সব জানায় সে। তারপরই পরিবারের পক্ষ থেকে কুন্নাথুন্ডু থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় গত ১২ জানুয়ারি।

অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে গায়েব হয়ে যায় অভিযুক্ত। তদন্তে নেমে বিভিন্ন রাজ্যের সাহায্য চায় কেরল পুলিশ। সেই খবর ছিল খগড়পুর জিআরপির কাছে। মঙ্গলবার রাতে বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে খড়গপুর জিআরপির একটি দল ওড়িশার বালেশ্বর থেকে বিবেক এক্সপ্রেসে চেপে অভিযুক্তকে অনুসরণ করে। ট্রেনটি বাংলার দাঁতন স্টেশনে পৌঁছতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *