কাল দেশের হয়ে মাঠে। আজ কাঁধে বাবার মরদেহ। জীবন আচমকা বদলে গেল রিঙ্কু সিংয়ের। শুক্রবার সকালে প্রয়াত হন ভারতীয় ক্রিকেটারের বাবা খানচাঁদ সিং। বিকেলে দাহকার্য সম্পন্ন হয়। সেখানে যে দৃশ্য দেখা গেল, তাতে চোখে জল বাঁধ মানছে না নেটিজেনদের।
এক বছর আগে লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন রিঙ্কুর বাবা। গত এক বছরে সমস্যা বাড়তে বাড়তে চতুর্থ পর্যায়ে পৌঁছে যায়। গত কয়েকদিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। তাঁকে গ্রেটার নয়ডার এনসিআর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত কয়েকদিন সেখানেই ভর্তি ছিলেন। গত কয়েকদিন একপ্রকার যমে-মানুষে টানাটানি চলছিল। শুক্রবার সকালে ওই হাসপাতালেই মৃত্যু হয় খানচাঁদ সিংয়ের।
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার জিম্বাবোয়েকে হারিয়ে বিশ্বকাপ স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে ভারত। প্রথম একাদশে না থাকলেও বদলি হিসেবে ফিল্ডিং করতে নেমেছিলেন রিঙ্কু। কিন্তু শুক্রবার সকালে বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে আলিগড়ে ফিরে যান তিনি। বিকেলে দেখা যায়, কাঁধে বাবার শবদেহ বহন করছেন রিঙ্কু। চোখে জল কোনও মতে সামলাচ্ছেন। মাথায় নীল টুপি। সেই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তে নেটিজেনদেরও চোখ ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। বহুভক্তও রিঙ্কুর বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির ছিলেন।
आंखों में आंसू, कंधे पर पिता की अर्थी…
क्रिकेटर रिंकू सिंह के पिताजी के निधन की खबर बेहद दुखद है। इस कठिन घड़ी में रिंकू और उनके परिवार के साथ पूरे देश की संवेदनाएं हैं।
ईश्वर दिवंगत आत्मा को शांति दे और परिवार को यह दुःख सहने की शक्ति प्रदान करे। 🙏#RinkuSinghFatherDemise pic.twitter.com/PUSPVIAt3l
— Dinesh Kumar (@DineshRedBull) February 27, 2026
আসলে রিঙ্কুর জীবনে খানচাঁদের ভূমিকা অপরিসীম। উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে যিনি গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন। মাসে ১২ হাজার টাকা ছিল তাঁর মাসিক আয়। রিঙ্কু ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি জায়গায় ঝাড়ুদারের কাজ করতেন। বাবা প্রথমে চাননি রিঙ্কু ক্রিকেট খেলুক। পরে ভুল ভাঙে। বিশ্বকাপের মাঝে যখন বাবার অসুস্থতার খবর পান, তখন বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু পরে দেশের স্বার্থে দলের সঙ্গে যুক্ত হন। সেটাই যে শেষ দেখা হবে, তা হয়তো ভাবতে পারেননি ভারতের তারকা ব্যাটার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
