কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে বকেয়া ডিএ? ক’দফায় মিলবে টাকা? বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের

কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে বকেয়া ডিএ? ক’দফায় মিলবে টাকা? বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


রবিবার বিকেলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন সুপ্রিম নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে রাজ্য সরকারি কর্মীদের। এবার এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য। সেখানে সাফ জানানো হয়েছে, কত দফায়, কীভাবে দেওয়া হবে বকেয়া ডিএ।  

ঠিক কী জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে? সেখানে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিএ/ডিআর- এরিয়ারের টাকা মেটানো হবে ২ দফায়।  রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা  প্রথম কিস্তির টাকা পাবেন চলতি বছরের মার্চেই। এই সময়কালের ডিএ-এর বকেয়া অংশ মিলেবে সেপ্টেম্বরে। জানা যাচ্ছে,  গ্রুপ এ, বি ও সি-এর কর্মীদের বকেয়া DA সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হবে তাঁদের পিএফ অ্যাকাউন্টে। আর গ্রুপ ডি কর্মচারী এবং পেনশন হোল্ডাররা টাকা পাবেন সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ কবে দেওয়া হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে বলেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

আরও পড়ুন:

রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা  প্রথম কিস্তির টাকা পাবেন চলতি বছরের মার্চেই। এই সময়কালের ডিএ-এর বকেয়া অংশ মিলেবে সেপ্টেম্বরে। জানা যাচ্ছে,  গ্রুপ এ, বি ও সি-এর কর্মীদের বকেয়া DA সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হবে তাঁদের পিএফ অ্যাকাউন্টে। আর গ্রুপ ডি কর্মচারী এবং পেনশন হোল্ডাররা টাকা পাবেন সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। সেখানে বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ৬ সপ্তাহ সময়। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ দেয়নি রাজ্য। বরং সুপ্রিম কোর্টের কাছে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চাওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়েছিল শুনানি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ সাফ জানান, ডিএ আইনি অধিকার, বকেয়া ডিএ দিতেই হবে। আদালত স্পষ্ট জানায়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দু’দফায় মিটিয়ে দিতে হবে মে মাসের মধ্যে। তবে প্রথম কিস্তি দিতে হবে মার্চের ৩১ তারিখের মধ্যে।

তারপর যা বাকি থাকবে তার কতটা অংশ দেওয়া হবে, কতদিনের মধ্যে দিতে হবে, সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটি। তবে সুপ্রিম রায় সত্ত্বেও এখনও ডিএ পাননি রাজ্য সরকারি কর্মীরা। রাজ্য সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়, ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারে বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে। ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত তাঁদের তথ্য ডিজিটাল নয়। বরং সার্ভিস বুক আকারে হাতে লেখা নথি রয়েছে। ফলে সেগুলি ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে। আবার তার উপর এসআইআরের ফলে রাজ্য সরকারের হাতে প্রশাসনিক আধিকারিকের সংখ্যাও অনেক কম। তাই প্রশাসনিক এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা উল্লেখ করে ডিএ বকেয়া পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি জানানো হয়েছিল। এসব টানাপোড়েনের মাঝেই রবিবার দাবিপূরণ হয়েছে সরকারি কর্মীদের। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *