আবগারি কেলেঙ্কারিতে মুক্ত আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু এবার নয়া অস্বস্তিতে তিনি। আগামী ৬ মার্চ দিল্লি বিধানসভার প্রিভিলেজেস কমিটির সামনে হাজির হতে হবে তাঁকে। মঙ্গলবার নিজেই একথা জানিয়েছেন কেজরি। ‘ফাঁসিঘর’ বিতর্কেই এই শুনানি। পুরো বিষয়টি স্বচ্ছ রাখতে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি তুলেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সোশাল মিডিয়ায় কেজরি লেখেন, ‘দিল্লি দূষণে জর্জরিত। রাস্তাঘাট ভাঙা। সর্বত্র আবর্জনার স্তূপ। হাসপাতালগুলিতে ওষুধ নেই। দিল্লি বিধানসভা ফাঁসিঘর সম্পর্কে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার জন্য আমাকে তলব করেছে। আমি বিশেষাধিকার কমিটিকে চিঠি লিখে জানিয়েছি যে তাদের তলব অনুসারে আমি ৬ মার্চ উপস্থিত থাকব।’
दिल्ली प्रदूषण से जूझ रही है।
सड़कें टूटी पड़ी हैं।
हर तरफ कूड़े के ढेर हैं।
अस्पतालों में दवाइयाँ नहीं हैं।दिल्ली विधानसभा ने “फांसी घर” पर प्रश्न पूछने के लिए मुझे बुलाया है।
मैंने विशेषाधिकार समिति को पत्र लिखकर सूचित कर दिया है कि उनके समन के अनुसार मैं 6 मार्च को… pic.twitter.com/hQNav8qhdg
— Arvind Kejriwal (@ArvindKejriwal) March 3, 2026
বিতর্কের সূত্রপাত ২০২১ সালে। দিল্লিতে তখন আপ সরকার। সেই সময় দিল্লি বিধানসভার তৎকালীন স্পিকার রাম নিবাস গোয়েল দাবি করেন, ব্রিটিশ আমলে বিধানসভা ভবনের নীচে অবস্থিত কক্ষগুলি ব্যবহৃত হত ‘ফাঁসিঘর’ হিসেবে। এখানেই শেষ নয়। তাঁর আরও দাবি ছিল, লালকেল্লা ও বিধানসভা চত্বর মাটির নিচের এক সুড়ঙ্গের মাধ্যমে যুক্ত। পরাধীন ভারতে ফাঁসির আসামিদের ওই সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়েই নিয়ে যাওয়া হত ফাঁসির মঞ্চের দিকে। পরে সেই ফাঁসিঘর নতুন করে সারানো হয় ১.৪ কোটি টাকা খরচ করে।
পরবর্তী সময়ে তৎকালীন স্পিকার বিজেন্দর গুপ্তা প্রশ্ন তোলেন ফাঁসিঘরের ঐতিহাসিক সত্য নিয়ে। বলা হয়, টিফিন ট্রে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত সিঁড়ি ছিল ওখানে। সেই সংক্রান্ত বিতর্কেই এবার ডেকে পাঠানো হয়েছে কেজরিকে।
আরও পড়ুন:
বিতর্কের সূত্রপাত ২০২১ সালে। দিল্লিতে তখন আপ সরকার। সেই সময় দিল্লি বিধানসভার তৎকালীন স্পিকার রাম নিবাস গোয়েল দাবি করেন, ব্রিটিশ আমলে বিধানসভা ভবনের নীচে অবস্থিত কক্ষগুলি ব্যবহৃত হত ‘ফাঁসিঘর’ হিসেবে।
সর্বশেষ খবর
