বাংলায় এক দফায় ভোট সেরে ফেলতে তৎপর হয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কমিশনের অবাস্তব চিন্তাভাবনায় কার্যত জল ঢেলে দিল রাজ্য। অপ্রতুল বাহিনী ও পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবে বাংলায় এক দফায় ভোট অসম্ভব। তা আগেই জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। এবার পরিস্থিতি বুঝেশুনে রাজ্যের সেই দাবি মেনে নিল কমিশন। দু’দিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর একদফায় নির্বাচনের ভাবনা বাতিল হয়ে গিয়েছে বলেই সিইও কার্যালয় সূত্রের খবর। কিন্তু কত দফায় হবে বৈঠক, সে বিষয়ে এখনই কোনও পরিকল্পনা তৈরি হয়নি।
আরও পড়ুন:
অপ্রতুল বাহিনী ও পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবে বাংলায় এক দফায় ভোট অসম্ভব। তা আগেই জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। এবার পরিস্থিতি বুঝেশুনে রাজ্যের সেই দাবি মেনে নিল কমিশন। দু’দিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর একদফায় নির্বাচনের ভাবনা বাতিল হয়ে গিয়েছে বলেই সিইও কার্যালয় সূত্রের খবর। কিন্তু কত দফায় হবে বৈঠক, সে বিষয়ে এখনই কোনও পরিকল্পনা তৈরি হয়নি।
নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। দু’দিন রাজ্যে থাকবেন তাঁরা। তার আগে সব প্রস্তুতি সেরে রাখতে দু’দিন ধরে রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা। সম্ভবত কমিশনের ফুল বেঞ্চ বঙ্গ সফর সেরে ফেরার পরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতে পারে। দু’দিনের বৈঠকে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, ডিজি, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা), এসপি-সহ ভোটের কাজে ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্তারা হাজির ছিলেন। দিল্লি থেকে বৈঠকে ছিলেন এ রাজ্যের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র ডেপুটি কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে আরও একবার সতর্ক করে দিয়েছে কমিশন। স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে প্রয়োজন মতো ব্যবহার করার পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও প্রকার আতিথেয়তা গ্রহণ না করে সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় বার্তা দিয়েছে কমিশন।
পাশাপাশি, ওয়েব কাস্টিং নিয়ে এ বারের বিধানসভা ভোটে কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রের খবর, এবার ওয়েব কাস্টিংয়ে নজরদারির কাজে যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদেরও দায়বদ্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন সরকারি কর্মচারী চার ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না। কাজ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় চার ঘণ্টায় তিনি কী কী দেখেছেন, তা লিখিতভাবে কমিশনকে জানাতে হবে। পরবর্তী ক্ষেত্রে লিখিতভাবে সব ঠিক আছে জানানোর পরও যদি কোথাও গণ্ডগোল ধরা পড়ে তাহলে সেই অফিসার দায়বদ্ধ থাকবেন। ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে মাইক্রো অবজার্ভারদের মতো কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের নিযুক্ত করা হতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
