কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে ভারতের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। ‘ওপেনএআই’-এর কর্ণধার স্যাম অল্টম্যানের পর ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই। তিনি জানান, এআই প্রযুক্তিতে ভারতের পাশে থেকে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ গুগল।
আরও পড়ুন:
গত সোমবার থেকে দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এর মঞ্চে হাজির ছিলেন পিচাই। সেখানে তিনি বলেন, “এআই আমাদের জীবনে সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তনগুলির একটি। এটি এমন একটি অস্ত্র, যা আন্তর্জাতিক স্তরে নানা সমস্যার সমাধান করতে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে। নানা রোগের চিকিৎসা থেকে শুরু করে শিক্ষার প্রসারের কাজ আরও সহজ হয়ে যাবে এই প্রযুক্তিতে।” তাঁর অভিমত, ভারতে এআই ব্যবহারের হার যথেষ্ট বেশি। তবে এখনও কিছু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তা কাটিয়ে উঠতে পারলেই নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
গত বছর বিশাখাপত্তনমে এআই হাব তৈরির ঘোষণা করেছে গুগল। যার জন্য ব্যয় হবে প্রায় ১৫০০ কোটি ডলার। এবার আর একটি নতুন ঘোষণা করলেন পিচাই। ‘ইন্ডিয়া-আমেরিকা কানেক্ট ইনিশিয়েটিভ’ নামে একটি নয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করে পিচাই জানান, ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে এআই সংযোগ আরও শক্তিশালী করা হবে। পাশাপাশি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা আরও উন্নত করতেও তিন কোটি ডলারের প্রকল্প ‘এআই ফর সায়েন্স ইমপ্যাক্ট চ্য়ালেঞ্জ’ ঘোষণা করেছে গুগল।
প্রসঙ্গত, দিল্লির এআই সম্মেলনে যোগ দিতে এসে সম্মেলনে যোগ দিতে এসে স্যাম জানিয়েছিলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে গোটা বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ভারতের। ভারতই ওপেনএআই-এর ব্যবহারকারীর সংখ্যার নিরিখে আমেরিকার পরে। সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে ১০ কোটি। শুধু তা-ই নয়, সারা বিশ্বে যত পড়ুয়া চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেন, তাঁদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে সাহায্য করতে পারে, সে রকম টুলও রয়েছে চ্যাটজিপিটি-র। সেটির নাম ‘প্রিজম’। এই এআই টুল ব্যবহারে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত।
আরও পড়ুন:
গত বছরই নয়াদিল্লিতে নতুন দপ্তর খুলেছে ওপেনএআই। স্যাম জানিয়েছেন, ভারতের চারটি বড় শহরের বিভিন্ন অলাভজনক সংস্থার অন্তত ২০০ জন আধিকারিককে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এবার সরকারের সঙ্গে এআই প্রযুক্তি নিয়ে সমঝোতার পথে হাঁটা হবে ইঙ্গিত দিয়েছেন ওপেনএআই-এর কর্ণধার।
সর্বশেষ খবর
