মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরোক্ষ প্রভাব টি-২০ বিশ্বকাপে। আকাশপথে যাতায়াতে সমস্যায় ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ, সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত কর্মী ও বিশ্বকাপের আয়োজনের দায়িত্বে থাকা কর্মী, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কর্মী এবং বিভিন্ন দেশের বোর্ডের আধিকারিকরা। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন আইসিসি বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিল, প্রভাবিতদের জন্য বিকল্প সফরসূচি তৈরি করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
এমনিতে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব টি-২০ বিশ্বকাপে পড়ার কথা নয়। কারণ, বিশ্বকাপে মধ্যপ্রাচ্যের কোনও দল অবশিষ্ট নেই। তবে যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়ছেন বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। আসলে ভারত থেকে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার বহু বিমানের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে কাজ করে দুবাই। সেই দুবাইয়েই এই মুহূর্তে পরিষেবা বন্ধ রেখেছে দেশের প্রথম সারির বিমানসংস্থাগুলি।
আসলে আশঙ্কা সত্যি করে শনিবার তেহরানে যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল (Israel) এবং আমেরিকা। যার জেরে অশান্ত হয়ে উঠছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। বন্ধ রয়েছে আকাশসীমা। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে পরিষেবা স্থগিত রেখেছে এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিগো-সহ দেশের প্রায় সব বিমানসংস্থা। ইন্ডিগো জানিয়েছে, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় আকাশসীমা বন্ধ থাকার কারণে পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। স্পাইসজেটের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দুবাইতে আকাশসীমা বন্ধ থাকার কারণে, আমাদের কিছু পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে।’ এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ‘বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িকভাবে আমাদের পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে।’ শুধু ভারত নয়, শ্রীলঙ্কার বিমানসংস্থাগুলিও পরিষেবা স্থগিত রেখেছে। ফলে সমস্যা পড়তে হচ্ছে বিশ্বকাপের সঙ্গে জড়িতদের।
ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা অবশ্য সবাইকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির নিরাপত্তা নিয়ে আমরা চিন্তিত। সবার সুরক্ষার কথা মাথায় রাখা আমাদের কর্তব্য। আমরা ইতিমধ্যেই বিকল্প সফরসূচি তৈরি করে ফেলেছি। এবং বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকে যাতে নিরাপদে ও নিশ্চিন্তে ফিরতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করছে আইসিসি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
