ইরানে হামলা চালাতে ১০ দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে দাবি করা হচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই ইরানে ভয়ংকর হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন প্রাক্তন সিআইএ আধিকারিক জন কিরিয়াকৌ। এক পডকাস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারিতেই হতে চলেছে হামলা।
আরও পড়ুন:
প্রাক্তন ওই আধিকারিকের দাবি অনুযায়ী, প্রশাসনিক ভাবে ইরানকে যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছে তার অনেক আগেই এই হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। জনের দাবি অনুযায়ী, তাঁর এক বন্ধু গোয়েন্দা সংস্থার প্রাক্তন আধিকারিক। তিনি হোয়াইট হাউসে নিজের এক বন্ধুর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। সেখান থেকেই তাঁকে জানানো হয়েছে, সোম বা মঙ্গলবারেই ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আমেরিকার শর্ত হল, ব্যালেস্টিক মিসাইল তৈরি করতে পারবে না ইরান, বন্ধ করতে হবে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পাশাপাশি হেজবোল্লা, হাউথির মতো সংগঠনগুলিকে সমর্থন জোগানো বন্ধ করতে হবে ইরানকে। শর্ত না মানলে ১০ দিনের মধ্যে হামলা হবে তেহরানে।
উল্লেখ্য, চুক্তি সই করানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে ইরানের উপর চাপ দিয়ে আসছে আমেরিকা। এই চুক্তিতে আমেরিকার শর্ত হল, ব্যালেস্টিক মিসাইল তৈরি করতে পারবে না ইরান, বন্ধ করতে হবে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পাশাপাশি হেজবোল্লা, হাউথির মতো সংগঠনগুলিকে সমর্থন জোগানো বন্ধ করতে হবে ইরানকে। শর্ত না মানলে ১০ দিনের মধ্যে হামলা হবে তেহরানে। তবে জনের দাবি, এই ধরনের সময়সীমা দেওয়া আসলে একধরনের রণকৌশল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ১০ দিন কিংবা দুই সপ্তাহের সময়সীমা দেওয়া হচ্ছে। অথচ হামলা হচ্ছে ২ দিনের ভিতর।
আরও পড়ুন:
এদিকে গত শুক্রবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্কবার্তা দিয়ে জানান, যে কোনও দিন ইরানে সীমিত হামলা চালানো হতে পারে। আলোচনার মাঝেই এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ হতে পারে কি না জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প বলেন, ‘সবটাই বিবেচনা সাপেক্ষ।’ অন্যদিকে ইরানের বিদেশমন্ত্রী এক সাক্ষাৎকারে জানান, আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে একটি খসড়া চুক্তি তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে যা পরে ওয়াশিংটনে পাঠানো হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনাও শুরু হতে পারে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তবে সে সবের মাঝেই এবার সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য।
সর্বশেষ খবর
