আহমেদাবাদ কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি! ফের ‘কাটঅফ’ মুডে চলে গেল ড্রিমলাইনারের জ্বালানি সুইচ, প্রশ্নে বোয়িং

আহমেদাবাদ কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি! ফের ‘কাটঅফ’ মুডে চলে গেল ড্রিমলাইনারের জ্বালানি সুইচ, প্রশ্নে বোয়িং

রাজ্য/STATE
Spread the love


অল্পের জন্য বেঁচে গেল শতাধিক প্রাণ! পাইলটদের সচেতনতায় আহমেদাবাদ কাণ্ডের মতো বড়সড় বিমান দুর্ঘটনা থেকে নিস্তার পেল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমান। ঠিক যে কারণে গত বছর আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনা হয়েছিল, সেই একই সমস্যা দেখা দিল এয়ার ইন্ডিয়ার AI 132 এয়ারবাসেও। তবে স্বস্তির খবর, আকাশে ওড়ার আগেই সেটা লক্ষ্য করেন ক্রু’রা। যার ফলে বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে নিস্তার পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:

এয়ার ইন্ডিয়ার AI 132 বিমানটি হিথরো থেকে বেঙ্গালুরু আসার কথা ছিল। কিন্তু বিমানটি ওড়ার আগেই ইঞ্জিনের বাঁদিকের ফুয়েল সুইচ ‘রান’ থেকে ‘কাটঅফ’ মুডে চলে যায়। পাইলটরা দ্বিতীয়বার ওই ফুয়েল সুইচটিকে রান মুডে নিয়ে এলেও লাভ হয়নি। এবারেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘কাটঅফ’ মুডে চলে যায় ইঞ্জিন। বাধ্য হয়ে বিমানটিকে গ্রাউন্ডেড করে দেওয়া হয়। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই উড়ানটির যাত্রা বন্ধ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিজিসিএ-কে জানানো হয়েছে।

গত বছর ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমান আকাশে ওড়ার কয়েক সেকেন্ড পর ভেঙে পড়ে একটি মেডিক্যাল কলেজের উপর। দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয় ২৫০ জনের বেশি মানুষের। ঘটনার তদন্তে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক রিপোর্টে দাবি করা হয়, আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে বিমানটি যখন উপরে ওঠার জন্য গতি পাচ্ছে, তখনই দু’টি ইঞ্জিনের জ্বালানি ‘কাটঅফ’ মুডে চলে যায়। ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিমানের উচ্চতা কমতে থাকে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অবশ্য পাইলটরা ফের বিমানের দুটি ইঞ্জিনের জ্বালানি ফের ‘কাটঅফ’ থেকে থেকে ‘রান’ মুডে নিয়ে এনেছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গিয়েছে। একটি ইঞ্জিন চালু হলেও আর একটি ইঞ্জিন চালু করা যায়নি। ফলে ‘থ্রাস্ট’ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:

তবে এই রিপোর্ট ঘিরে নানা বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্ক দানা বাঁধার পরেই ডিজিসিএর তরফে এয়ার ইন্ডিয়ার সমস্ত বোয়িং ৭৮৭ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ১৬ জুলাই রিপোর্ট পেশ করে এয়ার ইন্ডিয়া জানায় বোয়িং ৭৮৭ বিমানের জ্বালানি সুইচে কোনও ত্রুটি ছিল না। ঘুরিয়ে দোষ ঠেলার চেষ্টা হয় পাইলটদের দিকে। কিন্তু ফের বোয়িং ড্রিমলাইনারেরই আরও এক ইঞ্জিনে বিভ্রাট, প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে সংস্থার দিকেই।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *