চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে অর্থাৎ, এপ্রিলের আগেই অন্তত ৫০০ চার্জশিট দাখিল করার লক্ষ্যমাত্রা নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরে বা ইডি। শুধু তা-ই নয়, বেআইনি ভাবে অর্থ লেনদেনের মামলার তদন্তও ১-২ মাসের শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী আধিকারিকদের। তবে জটিল কোনও মামলার ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। রবিবার এক্স হ্যান্ডলে এমনটাই জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাটি।
আরও পড়ুন:
গত বছর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি গুয়াহাটিতে ইডির জোনাল বৈঠক ছিল। সেখানেই এই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষের আগে সেটাই শেষ বৈঠক ছিল। সেখানে উপস্থিতও ছিলেন ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন। প্রসঙ্গত, গত বছর থেকে প্রতি ত্রৈমাসিকে দিল্লির বাইরে এই ধরনের বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইডি। প্রথম বৈঠকটি হয়েছে গুজরাটে। পরেরটি জম্মু-কাশ্মীরে।
সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন মামলায় সুপ্রিম কোর্ট এবং বিভিন্ন রাজ্যের হাই কোর্টে বারবা ভর্ৎসিত হয়েছে ইডি। কখনও তাদের বিরুদ্ধে তদন্তে-কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কখনও আবার অতিসক্রিয়তার অভিযোগেও বিদ্ধ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তা নজরে রেখে ইডির বৈঠকে এই ধরনের সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, বৈঠকে ইডির আধিকারিকদের দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তদন্তের দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ-ও বলা হয়, দ্রুত তদন্তে শেষ করার নির্দেশ রয়েছে মানেই এই নয়, যেমন-তেমন করে তদন্ত করা যাবে। স্পষ্ট নির্দেশ, তদন্ত যথাযথ ভাবেই শেষ করতে হবে, যাতে আদালতে তদন্তকারী সংস্থার মুখ না পোড়ে। অর্থাৎ কোনও ফাঁকফোকর রাখা চলবে না। এ ছাড়াও, ইডি আধিকারিকদের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা-ও যথাযথ ভাবে প্রয়োগ করতে হবে। এ বিষয়ে আরও সতর্ক এবং ন্যায়সঙ্গত হতে হবে বলেই বার্তা দেওয়া হয়েছে তদন্তকারীদের।
সর্বশেষ খবর
