অস্ট্রেলীয় ওপেন: এক পায়ে লড়ে ফাইনালে আলকারাজ, সেমিতে দুরন্ত জয় ‘বুড়ো ঘোড়া’ জোকোভিচের

অস্ট্রেলীয় ওপেন: এক পায়ে লড়ে ফাইনালে আলকারাজ, সেমিতে দুরন্ত জয় ‘বুড়ো ঘোড়া’ জোকোভিচের

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


দুই সেমিফাইনাল, দুই মহাকাব্য। অস্ট্রেলীয় ওপেনের একদিকে ২২ বছর বয়সি কার্লোস আলকারাজ কার্যত এক পায়ে হারালেন আলেক্সান্ডার জেভরেভকে। যে ম্যাচে বিতর্কও কম হল না। অন্যদিকে সেই বহুযুদ্ধের সৈনিক নোভাক জোকোভিচ। ৩৮ বছর বয়সি ‘জোকার’ জানিক সিনারকে উড়িয়ে দেখালেন কীভাবে কামব্যাক করতে হয়। ফাইনালে আলকারাজ নামবেন কেরিয়ার স্ল্যামের লক্ষ্যে। অন্যদিকে জোকোভিচের নজরে ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম। সব মিলিয়ে রবিবারও ফের মহারণের অপেক্ষা।

রড লেভার এরেনায় কার্লোস আলকারাজ জিতলেন ৬-৪, ৭-৬ (৭-৫), ৬-৭ (৩-৭), ৬-৭ (৪-৭), ৭-৫ ব্যবধানে। স্কোরলাইন দেখে কিছুটা আন্দাজ করা যায়, কিন্তু সবটা নয়। প্রথম দু’টো সেটে একতরফা জয়। কিন্তু তৃতীয় সেটের শেষ দিকে দেখা যায়, ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না আলকারাজ। থাইয়ের চোট ও ক্র্যাম্পে তখন তিনি কাহিল। দুয়েকবার বমিও করলেন। আদৌ ম্যাচ শেষ করতে পারবেন তো?

আরও পড়ুন:

তৃতীয় সেটের মাঝেই ‘টাইম আউট’ চাইলেন স্প্যানিশ টেনিস তারকা। পেয়েও গেলেন। যা নিয়ে জেভেরেভের ক্ষোভ, ক্র্যাম্পের জন্য টাইম আউট নেওয়া যায় না। ফলে এটা ‘বাড়তি সুবিধা’। জেভরেভের আপত্তিকে অবশ্য টেনিস বলের সঙ্গেই ফেরালেন আলকারাজ। জার্মান টেনিস তারকার সার্ভিসগুলোকে যেভাবে রিটার্ন করলেন, তাতেই জেভরেভের আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায়। দর্শক সমর্থনও ছিল বিশ্বের এক নম্বর টেনিস প্লেয়ারের সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত রানিং ফোরহ্যান্ডে ম্যাচ জিতলেন তিনি। ৫ ঘণ্টা ২৭ মিনিটের লড়াই অস্ট্রেলীয় ওপেনের দীর্ঘতম সেমিফাইনাল। ম্যাচের পর আলকারাজ কৃতিত্ব দিলেন ‘আত্মবিশ্বাসকে’। অন্যদিকে ক্ষোভ মিটছিল না জেভরেভের।

সেমিফাইনালের অন্য ম্যাচও কম উত্তেজক ছিল না। কোয়ার্টার ফাইনালে কার্যত হারা ম্যাচ ওয়াকওভার পেয়ে যান জোকোভিচ। আর সেখানে সিনার জেতেন স্ট্রেট সেটে। ফলে মনে করা হচ্ছিল, সার্বিয়ান টেনিস প্লেয়ারের বিদায়ই হয়তো ভবিতব্য। কিন্তু জোকোভিচ ফের বোঝালেন কেন তাঁর ঝুলিতে ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম। সেই ম্যাচও গড়াল ৫ সেটে, লড়াই চলল ৪ ঘণ্টা। ৩-৬, ৬-৩, ৪-৬, ৬-৪, ৬-৪ গেমে তিনি হারালেন ২৪ বছর বয়সি সিনারকে। তৃতীয় সেটে পিছিয়ে পড়ার পর মনে হয়নি জোকোভিচ আর কামব্যাক করতে পারবেন! ক্লান্তিও ভর করছিল। শুধুমাত্র অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে চতুর্থ সেট পকেটে পুরে নিলেন। পঞ্চম সেটে পিছিয়ে পড়েছিলেন। চাপের মুখে ভুলও করেন। কিন্তু সিনারের সার্ভিস ব্রেক করে যেভাবে ম্যাচ নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিলেন, তাতে একটা কথাই বলতে হয়, ‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে!’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *