‘অনুতপ্ত নই, কারণ এটা ঈশ্বর করেছেন’, প্রধান বিচারপতিকে জুতো ছোড়ার ঘটনায় দাবি অভিযুক্ত আইনজীবীর

‘অনুতপ্ত নই, কারণ এটা ঈশ্বর করেছেন’, প্রধান বিচারপতিকে জুতো ছোড়ার ঘটনায় দাবি অভিযুক্ত আইনজীবীর

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভরা এজলাসে প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাইকে জুতো ছোড়ার ঘটনায় হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ওই আইনজীবী রাকেশ কিশোরের লাইসেন্স বাতিল করেছে বার কাউন্সিল। কিন্তু গোটা ঘটনায় তিনি একটুও অনুতপ্ত নন। এমনটাই জানালেন অভিযুক্ত আইনজীবী। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “এটা আমি করিনি। ঈশ্বর করেছেন।”

আইনজীবী রাকেশের বক্তব্য, “ঈশ্বরের নির্দেশেই যা ঘটনা ঘটার ঘটেছে। আমি করিনি। এটা ঈশ্বরই করেছেন।” অন্যদিকে, গোটা ঘটনায় বিচলিত না হয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এসব দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। এসব আমার উপর কোনও প্রভাব ফেলবে না।” নাটকীয় এই ঘটনার পর শুনানি চালিয়ে যাওয়ারও নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।

সোমবার একটি মামলার শুনানি চলাকালীন আচমকাই আইনজীবী রাকেশে প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাইকে লক্ষ্য করে জুতো ছুড়ে মারেন! অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালত কক্ষ থেকে বের করে আনার সময় তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, “ভারতে সনাতন ধর্মের অপমান সহ্য করা হবে না।” জানা যাচ্ছে, সপ্তাহ খানেক আগে প্রধান বিচারপতির এজলাসে মধ্যপ্রদেশের একটি ক্ষতিগ্রস্ত বিষ্ণু মূর্তি পুনরুদ্ধারের মামলা শুনানি ছিল। সেই সময় একটি প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, “যাও, দেবতাকে জিজ্ঞাসা করো” অনুমান করা হচ্ছে অভিযুক্তের মন্তব্যের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বিচারপতি গাভাইকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়া এবং ‘সনাতনের অপমান’ সম্পর্কিত মন্তব্যের।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রোহিত পান্ডে অভিযুক্তকে শনাক্ত করেন। অভিযুক্ত রাকেশ কিশোর ২০১১ সাল থেকে সুপ্রিম বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। রোহিত বলেন, “প্রধান বিচারপতির ঈশ্বর সম্পর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।” এদিকে রাকেশকে তদন্তকারী সংস্থা আটক করেছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। উল্লেখ্য, বিতর্কিত মন্তব্য সম্পর্কে আগেই জবাব দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি গাভাই। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। তিনি সব ধর্মকে সম্মান করেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *