গিরিশ পার্কে বিজেপির তাণ্ডব। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করেও চলে হামলা! আক্রান্ত হন খোদ মন্ত্রী নিজেও। এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করল পুলিশ। গিরিশ পার্ক থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। অন্যদিকে এদিনের ঘটনায় ৮ পুলিশকর্মীও আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিকদলের তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার দুপুরে। একদিকে যখন ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বক্তব্য রাখবেন, ঠিক তখনই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতা। ব্রিগেডে মোদির সভায় যোগ দিতে বিভিন্ন জেলা থেকে বাসে বিজেপি কর্মীরা কলকাতায় এসেছিলেন। অভিযোগ, গিরিশ পার্কে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনে থাকা ‘বয়কট বিজেপি’ ব্যানার ছিড়ে ফেলেন বিজেপি কর্মীরা। আর তা থেকেই অশান্তি ব্যাপক আকার নেয়। শুধু তাই নয়, শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টি। ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন মন্ত্রী। ইটের আঘাতে তিনিও আহত হন। শশী পাঁজার অভিযোগ, ”বহিরাগতদের নিয়ে ব্রিগেডে সভা করছে বিজেপি। আর এই বহিরাগতরাই বাস থেকে নেমে আমার বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড ছিড়ে পালিয়ে গিয়েছে। কেন? সাহস থাকলে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মোকাবিলা করুক। এত কাপুরুষ যে মেন রাস্তার উপর আমার বাড়ির ঢোকার মুখে ওরা ভাঙচুর করেছে। ইট ছুড়েছে, আমার বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে গিয়েছে। আমার গায়ে লেগেছে, আমাকে খুনের ষড়যন্ত্র করছে ওরা।”
আরও পড়ুন:
এই ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা পুলিশ। গিরিশ পার্ক থানায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়। বিএনএসের একাধিক ধারা যেমন খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মীদের মারধর, দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা, ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাঙচুর, বেআইনি জমায়েত-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট আইনেও মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
