‘বাবা দিনে বহুবার ফোন করত, চিন্তা ছিল বেশি’, যুদ্ধবিধ্বস্ত সৌদি থেকে ফিরে জানালেন ফিরহাদকন্যা

‘বাবা দিনে বহুবার ফোন করত, চিন্তা ছিল বেশি’, যুদ্ধবিধ্বস্ত সৌদি থেকে ফিরে জানালেন ফিরহাদকন্যা

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


পবিত্র রমজান মাসে মা ও মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে মদিনায় গিয়েছিলেন। ধর্মীয় সফর শেষে ফেরার কথা ছিল গতমাসেই। কিন্তু ইতিমধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ইজরায়েল-ইরান। গোটা মধ্যপ্রাচ্যে তার রেশ ছড়িয়ে পড়ে। আর যুদ্ধের আবহে আর পাঁচজনের মতোই সৌদি আরবে আটকে পড়েছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী রুবি, মেয়ে প্রিয়দর্শিনী ও নাতনি। অবশেষে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে মঙ্গলবার তাঁরা নিরাপদে সৌদি থেকে কলকাতা এসে পৌঁছন। বাড়ি ফিরে সকলের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করলেন প্রিয়দর্শিনী। নিজের শহরে ফিরে কতখানি স্বস্তি পেলেন তাঁরা, তা স্পষ্ট সেই ছবিতে। প্রিয়দর্শিনী জানালেন, ওই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাঁরা মানসিকভাবে শক্ত থাকলেও বাবা কতটা টেনশনে ছিলেন। স্ত্রী, মেয়ে, নাতনিকে কাছে পেয়ে সেই চিন্তায় ইতি পড়েছে।

আরও পড়ুন:

এই প্রথমবার রমজানের সময় মদিনায় গিয়েছিলেন প্রিয়দর্শিনী। সঙ্গে মেয়ে এবং মাকেও নিয়ে যান। শুক্রবার মদিনায় পৌঁছনোর পর সেখানেই ছিলেন তাঁরা তিনজন। রবিবার নমাজ পাঠের পরই যুদ্ধের খবর কানে আসে। শনিবার রাত থেকেই পুরোদমে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে ইরান ও ইজরায়েল-আমেরিকা। নিরাপত্তার স্বার্থে আকাশপথ বন্ধ, বাতিল শয়ে শয়ে বিমান। ফলে সেখানেই আটকে পড়েছিলেন প্রিয়দর্শিনীরাও। সেখান থেকে ফেসবুক লাইভ করে তিনি সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। আর মঙ্গলবার বাড়ি ফেরার পর জানালেন বাবা অর্থাৎ মেয়র ফিরহাদ হাকিমের অহরহ উদ্বেগের কথা।

আরও পড়ুন:

প্রিয়দর্শিনীর কথায়, ‘‘আমি, আমার মা সবাই মানসিকভাবে শক্ত ছিলাম। জানতাম, এই পরিস্থিতি থেকে নিস্তার পাবই। আসলে মক্কা-মদিনায় গিয়েছি তো, তাই ভরসা ছিল যে ফিরতে পারব নিরাপদে। কিন্তু বাবা সব শোনার পর ভীষণ চিন্তা করছিলেন। দিনে ৬-৭ বার ফোন করতেন আর শুধু বলতেন, ‘তোরা ফিরে আয়।’ আসলে বাবা আমাদের সবসময় আগলে রাখেন। তাই এতটা চিন্তা করছিলেন।” সকলে ফিরে আসায় এখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন কলকাতার মেয়র। আসলে তাঁর তো দায়িত্ব অনেক। সকলের জন্যই তাঁর উদ্বেগ।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *