আনন্দপুরের মোমো কারখানা ও গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের স্মৃতি এখনও টাটকা। আগুনে ঝলসে মারা গিয়েছিলেন কারখানা ও গুদামের ভিতরে থাকা শ্রমিকরা। ফের আগুন আনন্দপুরে। এবার একটি প্রসিদ্ধ কেক প্রস্তুতকারী সংস্থার কারখানায় আগুন লাগল। আতঙ্ক ছড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে। দমকল কর্মীরা বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইএম বাইপাসের কসবা এলাকায় ওই কেক প্রস্তুতকারী সংস্থার কারখানা রয়েছে। সোমবার কারখানায় কাজ চলছিল। রাত আটটার পর কারখানার ভিতর আগুন দেখতে পাওয়া যায়। কর্মীরা আতঙ্কে বাইরে বেরিয়ে আসেন। ওই এলাকাটিও আনন্দপুর থানার আওতায়। খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও দমকলে। দ্রুত কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।
দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। এলাকাটিকে ঘিরে ফেলা হয়। দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকল কর্মীরা। তিনটি ইঞ্জিন আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে যায়। বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু কীভাবে লাগল ওই আগুন? প্রাথমিকভাবে অনুমান, শর্টসার্কিট থেকেই ওই আগুন লাগতে পারে। পুলিশ ও দমকল ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কারখানার সব কাগজপত্র সঠিক আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
চলতি বছরের শুরুতেই কলকাতার অদূরে আনন্দপুরে একটি মোমো তৈরির কারখানা ও গুদামে আগুন লেগেছিল। রাতে সেখানে কর্মীরা ছিলেন। বাইরে বেরতে না পেরে জতুগৃহের মধ্যেই ঝলসে পুড়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন অনেকে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে একে একে দেহাংশ উদ্ধার করা হয়। কাউকে চেনার উপায় না থাকায় মৃতদের শরীরের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। ২৭ জনের দেহাংশ ডিএনএ টেস্টের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
