‘নতুনভাবে কলকাতা চিনিয়েছিলেন’, শংকরের প্রয়াণে ‘শাজাহান রিজেন্সি’র স্মৃতি উসকে পোস্ট বিষণ্ণ সৃজিতের

‘নতুনভাবে কলকাতা চিনিয়েছিলেন’, শংকরের প্রয়াণে ‘শাজাহান রিজেন্সি’র স্মৃতি উসকে পোস্ট বিষণ্ণ সৃজিতের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


শুক্রবার না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন কিংবদন্তি সাহিত্যিক মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। সাহিত্যজগৎ থেকে বইপাড়া এমনকী সিনেদুনিয়া তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ। মনখারাপ পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়েরও। বলে রাখা ভালো, শংকরের কালজয়ী উপন্যাস ‘চৌরঙ্গী’কেই ২০১৮ সালে আরও একবার পর্দায় তুলে ধরেছিলেন সৃজিত। ছবির নাম ছিল ‘শাজাহান রিজেন্সি’। প্রায় এক দশক আগের সেই স্মৃতি হাতড়ে মন খারাপ তাঁরও। এদিন সাহিত্যিক শংকরের মৃত্যুর পর নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট ভাগ করে নেন তিনি।

আরও পড়ুন:

সৃজিতের ভাগ করে নেওয়া ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক অনুষ্ঠানের মঞ্চে সাহিত্যিক শংকরের সঙ্গে তাঁকে মঞ্চ ভাগ করে নিতে। স্মৃতির সরণী বেয়ে সৃজিত ফিরে গিয়েছেন ফেলে আসা দিনে। ওই পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার কাছে আপনিই সেই মানুষটা যিনি কিনা কলকাতাকে অন্য এক চোখ দিয়ে চিনতে, জানতে শিখিয়েছিলেন। আর এক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য করেছিল আপনারই উপন্যাস। যার হাত ধরে আমার বয়ঃসন্ধিকালে এই শহরটাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছিলাম।। আপনার সৃষ্টি, আপনার উপন্যাসের চরিত্র আজীবন সঙ্গে থেকে যাবে।’

আরও পড়ুন:

শংকরের কালজয়ী উপন্যাস ‘চৌরঙ্গী’কেই ২০১৮ সালে আরও একবার পর্দায় তুলে ধরেছিলেন সৃজিত। ছবির নাম ছিল ‘শাজাহান রিজেন্সি’। প্রায় এক দশক আগের সেই স্মৃতি হাতড়ে মন খারাপ তাঁরও।

 

শংকরের তিনটি উপন্যাস নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমা। এর মধ্যে সত্যজিৎ রায় পরিচালনা করেছিলেন ‘সীমাবদ্ধ’, ‘জন অরণ্য’। নাগরিক অবক্ষয়ের অসামান্য দলিল হয়ে রয়েছে ছবি দু’টি। পিনাকিভূষণ মুখোপাধ্যায় নির্মাণ করেছিলেন ‘চৌরঙ্গী’। সেই ছবিতে উত্তমকুমারের ‘স্যাটা বোস’ তাঁর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চরিত্র হয়ে রয়েছে। পরবর্তীকালে সেই ‘চৌরঙ্গী’ই নামান্তরে পর্দায় নিয়ে এসেছিলেন সৃজিত। শংকরের কলমের সুবাদে বাঙালি পাঠক পেয়েছে ‘সীমাবদ্ধ’, ‘জন অরণ্য’, ‘নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি’, ‘সম্রাট ও সুন্দরী’, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই’-এর মতো অসামান্য অসংখ্য সৃষ্টি। যা ক্রমেই শংকরকে খ্যাতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। লেখালেখির জন্য পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। যার মধ্যে অন্যতম ২০২১ সালে ‘একা একা একাশি’র জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, ১৯৯৩ সালে ‘ঘরের মধ্যে ঘর’-এর জন্য বঙ্কিম পুরস্কার। দীর্ঘদিন বয়সজনিত সমস্যায় ভুগলেও গত বইমেলাতেও হাজির ছিলেন পাঠকদের মাঝে। তবে এবারের বইমেলায় উপস্থিত ছিলেন না। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। এবার চিরকালের জন্য অমৃতলোকে পাড়ি দিলেন শংকর। রয়ে গেল তাঁর সৃষ্টি।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *