আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ আক্রমণে আক্রান্ত ইরান। আর সেই হামলায় প্রাণ গিয়েছে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের। মধ্যপ্রাচ্যে এরপর থেকেই ঘন হয়েছে সংঘাতের কালো মেঘ। এর প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানেও। শুক্রবার দিনভর পাক রাজধানী-সহ দেশের নানা প্রান্তে মিছিল বের করল শিয়া মুসলিমরা। আর এতে শঙ্কিত ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাস! হামলার আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।
আরও পড়ুন:
এদিন বিপুল পুলিশি প্রহরার মাঝেই প্রায় তিনশো জন বিক্ষোভকারী দীর্ঘ মিছিল বের করেছিলেন। তাঁদের হাতে ছিল খামেনেইয়ের ছবি। মুখে ছিল ‘আমেরিকা মুর্দাবাদ’, ‘ইজরায়েল মুর্দাবাদ’ স্লোগান। সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি রুখতে মার্কিন দূতাবাস ও অন্যত্র স্পর্শকাতর অঞ্চলে কন্টেনার দাঁড় করিয়ে দেয় পুলিশ। এদিকে করাচিতে বাণিজ্য দূতাবাস থেকে ৪ কিমি দূরত্বে উপস্থিত হয় বিক্ষোভকারীরা। সেখানেও প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে হোয়াইট হাউসের বন্দুকবাজের হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। হামলাকারীর নাম রহমানউল্লাহ লাকনওয়াল। তিনি আফগানিস্তানের নাগরিক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি মার্কিন সিস্টেমকে সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধারের জন্য তৃতীয় বিশ্বের সমস্ত দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করব।’ বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিরে আসছে সেই স্মৃতিও। তাই হয়তো বাড়তি সতর্ক মার্কিন দূতাবাস।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, ইরানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল ও আমেরিকা। দেশটির নিরাপত্তা সংক্রান্ত দপ্তর এবং একটি মিশাইল লঞ্চার গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। যুদ্ধে শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে এক হাজারের বেশি মানুষের। ইরানে ২০০০-এর বেশি নিশানায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বেপরোয়া আক্রমণ শুরু করেছে তেহরানও। ইরাকের পাশাপাশি প্রতিবেশী কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান, জর্ডনে নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইরান। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ক্রমশ বন্ধু রাষ্ট্রগুলিকেও শত্রুতে পরিণত করছে তেহরান। ইতিমধ্যে সৌদি আরব পালটা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সর্বশেষ খবর
