আস্থা নেই বিচারপতিতে! আবগারি মামলা অন্য বেঞ্চে সরাতে চেয়ে চিঠি কেজরিওয়ালের

আস্থা নেই বিচারপতিতে! আবগারি মামলা অন্য বেঞ্চে সরাতে চেয়ে চিঠি কেজরিওয়ালের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


আস্থা নেই বিচারপতিতে! মামলার বিচারে নিরপেক্ষতা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। তা নিরসনে এবার আবগারি মামলা অন্য বিচারপতির বেঞ্চে স্থানান্তরিত করতে চেয়ে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতিকে চিঠি লিখলেন আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। যিনি দিন কয়েক আগেই নিম্ন আদালতে এই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। তা চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টে পালটা মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। গত সোমবার সেই মামলার শুনানির পর কেজরির অভিযোগ, বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মার বেঞ্চে এই মামলার বিচারে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় থাকছে না। শুনানিতে বিচারপতির মন্তব্য ও পর্যবেক্ষণে তেমনটাই মনে হয়েছে। তাই নিরপেক্ষতার স্বার্থে মামলাটি অন্য কোনও বিচারপতির বেঞ্চে স্থানান্তর করা হোক, এই দাবিতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছেন আপ সুপ্রিমো।

আরও পড়ুন:

গত সোমবার সেই মামলার শুনানির পর কেজরির অভিযোগ, বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মার বেঞ্চে এই মামলার বিচারে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় থাকছে না। শুনানিতে বিচারপতির মন্তব্য ও পর্যবেক্ষণে তেমনটাই মনে হয়েছে। তাই নিরপেক্ষতার স্বার্থে মামলাটি অন্য কোনও বিচারপতির বেঞ্চে স্থানান্তর করা হোক, এই দাবিতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছেন আপ সুপ্রিমো।

ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখ দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলা থেকে পুরোপুরি রেহাই পেয়ে যান আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্ট জানিয়ে দেয়, দিল্লির তথাকথিত বিতর্কিত আবগারি নীতিতে কোনওরকম অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা ষড়যন্ত্র ছিল না। তা প্রমাণ করতে পারেনি সিবিআই। ফলে এই মামলায় অভিযুক্ত সকলকেই অব্যাহতি দেয় নিম্ন আদালত। তবে তার আগে দীর্ঘদিন কেজরিওয়াল ও সিসোদিয়াকে জেলজীবন কাটাতে হয়েছিল। ওইদিন মামলা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হয়ে চোখে জল নিয়ে কেজরি দাবি করেন, “অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদি স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছেন। কিন্তু এতদিন বাদে সত্যের জয় হল।”

তবে কেজরি-সিসোদিয়াকে নিয়ে রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিবিআই দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়। সেই মামলা চলছে। বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা শুনানিতে মন্তব্য করেছিলেন, তাঁদের মুক্তির নেপথ্যে কোনও ফাঁক রয়েছে। তাই সবটা আবার খতিয়ে দেখা দরকার। এতেই অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিরপেক্ষতা ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন এবং মামলা তাঁর বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে সরানোর আবেদন জানান দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *